আলজাজিরার কলাম/ইয়েমেন যুদ্ধে কি পরিবর্তিত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে হুতিরা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পরিমার্জন করে হুতিদের নতুন অস্ত্রের ব্যবহার লোহিত সাগর অঞ্চলের যুদ্ধের ভারসাম্য বদলে দিতে পারে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির সহায়তায় বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ‘লয়টারিং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রে’ রূপান্তর করেছে হুতিরা। ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সৌদি-সমর্থিত সরকার সম্প্রতি এই অভিযোগ তুলেছে।
ইয়েমেন সরকার সতর্ক করে বলেছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মূলত উত্তাপ শনাক্তকরণ (হিট-ট্র্যাকিং) প্রযুক্তিতে চলে। ফলে ইয়েমেন ও সংবেদনশীল লোহিত সাগরের আকাশসীমায় চলাচলকারী বেসামরিক বিমানের জন্য এটি বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।
এদিকে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধের পাশাপাশি সৌদি আরবের ভেতরেও হামলা বাড়িয়েছে হুতিরা। গত বৃহস্পতিবার রিয়াদ জানায়, তারা ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র পশ্চিম সৌদির তায়েফ ও লোহিত সাগর তীরের ইয়ানবু বন্দর এলাকা লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল।
সৌদি রাজধানী রিয়াদের একটি ‘সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তু’ এবং ইয়ানবুতে আরামকোর তেলের স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে হুতিরাও। হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, দুটি অভিযানেই তারা ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন ব্যবহার করেছেন।
২০১৪ সাল থেকে ইয়েমেন সরকার ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে সরাসরি সংঘাতে লিপ্ত ছিল হুতিরা। ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি হয়। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে লড়াই আবারও তীব্র রূপ নিয়েছে। ইতিমধ্যে লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকা, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মোখা শহর এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালির প্রবেশমুখে অবস্থিত মায়্যুন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে হুতিরা।
গত জুলাইয়ে লোহিত সাগরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ ঘোষণা করে এই সশস্ত্র গোষ্ঠী। বিশ্লেষকদের মতে, এর মধ্য দিয়ে তারা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের আরেকটি নতুন রণাঙ্গন খুলে দিয়েছে।
যুদ্ধ চলাকালে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবের জন্য লোহিত সাগর প্রধান বিকল্প পথ হয়ে দাঁড়ায়। দেশটির পূর্বাঞ্চলের তেলক্ষেত্র থেকে পশ্চিমে ইয়ানবু বন্দরে তেল নেওয়ার ‘ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন’ এই মাসের শুরুর দিকে এক ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেটি মাত্র আবার চালু করা হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে হুতিদের এই ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা গোটা অঞ্চলের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
ইয়েমেন সরকারের অভিযোগ কী?
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজেদ আল-নাজিলি জানান, হুতিরা ইরানের এমন সব বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করছে, যা সব ধরনের উড়োজাহাজের জন্যই বিপজ্জনক।
আল-নাজিলির দাবি, আইআরজিসি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় এসব অস্ত্র আধুনিকায়ন করা হয়েছে। এখন সেগুলো দিয়ে বিমান ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রে আঘাত হানা হচ্ছে।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুর খোঁজে আকাশে প্রায় ২৫ মিনিট পর্যন্ত চক্কর দিতে পারে। এগুলো থার্মাল-ট্র্যাকিং প্রযুক্তিতে চলে। সামরিক নাকি বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু—তা বিবেচনা না করেই যেকোনো তাপের উৎসে এটি আঘাত হানে।’
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, এটি সরাসরি বেসামরিক বিমান চলাচল ও যাত্রীদের জীবনের ওপর চরম হুমকি তৈরি করেছে।
আঞ্চলিক আকাশসীমা কেন ঝুঁকিতে?
মাজেদ আল-নাজিলির মতে, ইয়েমেন ও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আকাশপথ দিয়ে চলাচলকারী জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবিক সংস্থার উড়োজাহাজও এখন বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়তে পারে।
তিনি বলেন, ‘লোহিত সাগরের দক্ষিণাংশের আকাশসীমাকে বেসামরিক বিমানের জন্য বিপজ্জনক করে তোলার বিষয়টি কেবল ইয়েমেনের নিরাপত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি পরিস্থিতিকে আরও বড় সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি ইরানের বিমান পরিবহন সংস্থার ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর জবাবে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাইসহ দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যের বিমান পরিষেবা লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছিলেন। এই বিপজ্জনক তৎপরতার সঙ্গে সেই হুমকির স্পষ্ট মিল রয়েছে।
ইয়েমেনের ভূখণ্ড থেকে ইরানি অস্ত্র ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক আকাশপথ হুমকির মুখে ফেলা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন আল-নাজিলি। তিনি বলেন, এটি নিছকই ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয় নয়। সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জরুরি ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
হুতিরা কি সত্যিই ইরানি অস্ত্র রূপান্তর করেছে?
ইতালির ‘ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্যাল স্টাডিজ’-এর জ্যেষ্ঠ গবেষক এলেওনোরা আরদেমাইনি আল জাজিরাকে জানান, হুতিরা ইরানের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পরিবর্তন করেছে—এমন কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ এখনো নেই। তবে সার্বিক পরিস্থিতি বলছে, এই সম্ভাবনা একদম উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের মধ্যেও হুতিরা প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন দেখাতে সক্ষম হয়েছে। ফলে তাদের সামরিক হুমকির ক্ষমতা ক্রমাগত বাড়ছে।’
আরদেমাইনি জানান, দীর্ঘ গবেষণায় দেখা গেছে হুতিরা ইরান থেকে সম্পূর্ণ তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র পায় না। তারা ক্ষেপণাস্ত্রের আলাদা আলাদা যন্ত্রাংশ এনে নিজেরা সংযোজন করে। ফলে অস্ত্র সংযোজনের কাজে তাদের যথেষ্ট দক্ষতা গড়ে উঠেছে।
২০২৫ সালের জুনে তারেক সালেহর নেতৃত্বাধীন ইয়েমেনের ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেস হুতিদের জন্য পাঠানো ৭৫০ টন ওজনের একটি অস্ত্রের চালান জব্দ করেছিল। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) তথ্যমতে, ওই চালানে শত শত উন্নত ক্রুজ, জাহাজবিধ্বংসী ও বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ ছিল।
চলতি বছরের জুলাইয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়, সানা অভিমুখী ইরানের মাহান এয়ারের একটি ফ্লাইটে আইআরজিসি কমান্ডার, সামরিক উপদেষ্টা ও অস্ত্র পাঠানো হয়েছিল। তবে স্বাধীনভাবে এই খবরের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি আল জাজিরা। আরদেমাইনি বলেন, ‘ফ্লাইটটি শেষ পর্যন্ত হুতিনিয়ন্ত্রিত হোদেইদায় অবতরণ করতে বাধ্য হয়। ইয়েমেন সরকার এখন দাবি করছে, সেই হোদেইদা থেকেই এই নতুন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হচ্ছে।’
ইয়েমেনি সামরিক বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আল-কুমাইম বলেন, হুতিরা এখন আর শুধু গতানুগতিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের ওপর নির্ভর করছে না। তারা আকাশে দীর্ঘক্ষণ চক্কর দিতে সক্ষম (লয়টারিং) উন্নত ক্রুজ প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আকাশে ২৫ মিনিট পর্যন্ত উড়তে পারে এবং তাপীয় তরঙ্গের ওপর ভিত্তি করে উড়ন্ত লক্ষ্যবস্তুকে খুঁজে বের করে আঘাত হানে।
সামরিক বিশেষজ্ঞ আলী আল-দাহাব জানান, এ ধরনের অস্ত্র আকাশে যেকোনো চলমান বস্তুর ওপর সার্বক্ষণিক হুমকি তৈরি করে। ফলে সাময়িকভাবে সামরিক বিমানের চলাচলও সীমিত হয়ে পড়তে পারে।
এদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ‘অ্যানথ্রপিক’ জানিয়েছে, উত্তর ইয়েমেনে হুতিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি প্রযুক্তি দল ক্ষেপণাস্ত্রের পথনির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সফটওয়্যার তৈরিতে তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা ‘ক্লড এআই’ ব্যবহার করেছিল।
হুতিদের হাতে এখন কী ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে?
হুতিদের হাতে বর্তমানে বিভিন্ন পাল্লার সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র বহর রয়েছে। এর মধ্যে স্বল্প ও দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং পরিবর্তিত ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র উল্লেখযোগ্য।
২০১৪ সালে রাজধানী সানা দখলের পর তারা ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর পুরোনো সোভিয়েত ও চীনা প্রযুক্তির বিপুল অস্ত্রভান্ডার হস্তগত করে। পরবর্তী সময়ে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইরানের উন্নত সব প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র।
বিভিন্ন সময় হুতিদের দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে তাদের প্রধান ক্ষেপণাস্ত্রগুলো হলো:
• ফিলিস্তিন-২: এটি কঠিন জ্বালানির দুই স্তরবিশিষ্ট দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। হুতিদের দাবি, এটি শব্দের চেয়ে দ্রুতগতির (হাইপারসনিক) এবং দুই হাজার কিলোমিটারের বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
• তুফান: এটি তাদের দূরপাল্লার অন্যতম প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র। এর পাল্লা ১,৩৫০ থেকে ১,৯৫৯ কিলোমিটার পর্যন্ত। আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা আইআইএসএসের মতে, এটি মূলত ইরানের ‘গদর’ ক্ষেপণাস্ত্রেরই নামান্তর।
• বুরকান সিরিজ: ইরানি প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
• কুদস সিরিজ: এই সিরিজের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাধারণত সৌদি আরবের তেলক্ষেত্র ও অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায় তারা।
• পুরোনো ভান্ডার: এ ছাড়া তাদের হাতে পুরোনো স্কাড-বি, স্কাড-সি, তোচকা, কাহের-১ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সি-৮০২ জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নত সংস্করণ রয়েছে।
লোহিত সাগর ও ইয়েমেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী?
আঞ্চলিক বিমান চলাচলের বিষয়ে স্ট্র্যাটেজিকঅ্যারো রিসার্চের প্রধান বিশ্লেষক সাজ আহমদ আল জাজিরাকে বলেন, ইয়েমেনের আকাশসীমায় বর্তমানে বেসামরিক বিমান চলাচল প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানে ভুলবশত হামলার ঝুঁকি কম।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উত্তর দিকে অর্থাৎ সৌদি আরবের আকাশসীমা লক্ষ্য করে ছোড়া হচ্ছে, যেখানে পুরোদমে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল করে। এটি সৌদি কর্তৃপক্ষের জন্য এক গভীর সংকট তৈরি করেছে। কারণ, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে তারা আকাশপথ যেমন পুরোপুরি বন্ধ রাখতে পারছে না, তেমনি ঝুঁকি নিয়ে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালানোও চরম বিপজ্জনক।
সাজ আহমদ আরও বলেন, দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে সফল হামলার সক্ষমতা হুতিরা আগেই দেখিয়েছে। গত বছর তেল আবিব বিমানবন্দরের কাছে আঘাত হানা এর বড় প্রমাণ। আর লোহিত সাগরের সংকীর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে তাদের যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্রই যেকোনো জাহাজ ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
সামরিক বিশ্লেষক আল-কুমাইম মনে করেন, এই নতুন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র লোহিত সাগরের দক্ষিণ রণাঙ্গনে হুতিদের শক্তি অনেক বাড়িয়ে দেবে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর প্রভাব বিস্তারে ইরানের যে সামগ্রিক কৌশল, এটি তারই একটি অংশ।
বিশ্লেষক আরদেমাইনি বলেন, ইয়েমেনে যুদ্ধ নতুন করে শুরু হওয়ার পর সৌদি আরব ও ইয়েমেন সরকার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একধরনের নিঃসঙ্গতায় ভুগছে। ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তার এই হুমকিকে তারা বেশ গুরুত্ব দিয়েই সামনে আনছে। আর হুতিদের হাতে সত্যিসত্যিই এমন উন্নত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র থাকলে তা লোহিত সাগরের সার্বিক ক্ষমতার ভারসাম্যকে এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর পক্ষেই ভারী করে তুলবে।
লেখক পরিচিতি:
যশরাজ শর্মা নয়াদিল্লিভিত্তিক একজন মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক। তিনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা ইংলিশ-এ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি, মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে নিয়মিত বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন লিখে থাকেন।
