তেলের বাজারে যুদ্ধের চাপ: বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও করণীয়

যুদ্ধে টালমাটাল মধ্যপ্রাচ্য। জ্বলছে ইরান, পুড়ছে ইসরায়েল। পুড়ছে কাতার, কুয়েত, সৌদি আরব, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ। তেলআবিব ধসে পড়ছে, দুই আড়াই হাজার বছরের ইতিহাস চোখের সামনে ধুলায় মিশে যাচ্ছে তেহরান-ইসপাহানের। আমেরিকা-ইসরায়েলের হঠাৎ চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে নিজের অস্তিত্ব লড়াইয়ে সাধ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে ইরান। পাল্টা আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত করছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা আমেরিকান ঘাঁটিগুলো। ইরানের নজরদারিতে কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে হরমুজ প্রণালি। এ অস্থিরতার প্রভাব সরাসরি এসে পড়েছে গোটা বিশ্বের জ্বালানি বাজারে।
ইতিহাস বলে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত যখন তীব্র হয়, তখন দ্রুত অস্থির হয়ে ওঠে তেলের বাজার। বর্তমান পরিস্থিতিতেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাত বাড়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, আর তার চাপ অনুভব করতে শুরু করেছে বিশ্বের প্রায় সব অর্থনীতি। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য এ এক চরম অশনি সংকেত।
২০২৬ সালের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ছিল প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ ডলার। কিন্তু যুদ্ধের উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয় এবং দাম দ্রুত বাড়তে থাকে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তেলের দাম ৯০ ডলার ছাড়িয়ে যায় এবং সাম্প্রতিক সময়ে তা ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। কিছু কিছু সময়ে এ দাম ১০৮ থেকে ১১০ ডলার প্রতি ব্যারেল পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা কয়েক মাস আগের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।
বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে এই দাম আরও বেড়ে ১২০ ডলার বা তারও বেশি হতে পারে। যদি তাই হয়, বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য খুব খারাপ দিন অপেক্ষা করছে সামনে।
কারণ, তেলের দাম বাড়ার প্রভাব শুধু জ্বালানি খাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এটা পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতে ছড়িয়ে পড়ে। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় বাড়ে, শিল্প উৎপাদনের খরচ বাড়ে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়ে। ফলে খাদ্য থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়তে থাকে। এই কারণেই তেলের বাজারে অস্থিরতা প্রায়ই বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির নতুন ঢেউ তৈরি করে।
সারা বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম কেন্দ্র হলো মধ্যপ্রাচ্য। যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের তেলক্ষেত্র, পাইপলাইন ও রপ্তানি অবকাঠামো ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এর পাশাপাশি বিশ্ব তেল পরিবহনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলোর একটি ‘স্ট্রেইট অব হরমুজ’ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ ভাগ তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। বিগত কয়েক দিন হলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বড় ধরনের ধাক্কা লাগার নিশ্চিত আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশের জন্য এই পরিস্থিতি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। কারণ দেশের জ্বালানি ব্যবস্থার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। অপরিশোধিত তেল, পরিশোধিত জ্বালানি, এমনকি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), সব ক্ষেত্রেই আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ওপর নির্ভরতা রয়েছে বাংলাদেশের। তেলের দাম বাড়লে প্রথমেই বাড়ে আমদানি ব্যয়, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে দেশের ডলার রিজার্ভ রক্ষা করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির আরেকটি বড় প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ খাতে। বাংলাদেশে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ ডিজেল ও ফার্নেস অয়েল দিয়ে উৎপাদিত হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার খরচও দ্রুত বেড়ে যায়। তখন সরকারকে ভর্তুকি বাড়াতে হয় অথবা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। উভয় ক্ষেত্রেই শেষ পর্যন্ত চাপ পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর।
দেশের পরিবহন খাতও এই প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। ডিজেলের দাম বাড়লে বাস, ট্রাক ও নৌপরিবহনের ভাড়া বাড়ে। কৃষিক্ষেত্রেও ডিজেলের ব্যবহার ব্যাপক। সেচ পাম্প ও কৃষিযন্ত্রের খরচ বেড়ে যায়। ফলে খাদ্য উৎপাদনের ব্যয় বাড়ে এবং বাজারে খাদ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। অর্থাৎ তেলের দাম বৃদ্ধি শেষ পর্যন্ত পুরো অর্থনীতিতে একটি মূল্যস্ফীতির চক্র তৈরি করে।
শিল্প খাতের জন্যও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জ্বালানি ব্যয় বাড়লে উৎপাদন খরচ বাড়ে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির প্রতিযোগিতা কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে তৈরি পোশাকসহ রপ্তানিমুখী শিল্পগুলো তখন দ্বৈত চাপের মুখে পড়ে। জ্বালানি দাম বৃদ্ধির ফলে একদিকে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, অন্যদিকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে চাহিদা কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয় ব্যাপকভাবে।
এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন জ্বালানি ব্যবহারে দক্ষতা বাড়ানো এবং বিকল্প উৎসের দিকে দ্রুত অগ্রসর হওয়া। জ্বালানি সাশ্রয়, নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার, এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুত, এসব পদক্ষেপ এখন আর ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নয়; বরং বর্তমান সংকট মোকাবিলার জন্য অত্যন্ত জরুরি কৌশল।
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে একটি দেশের জ্বালানি শুধু অর্থনৈতিক সম্পদ নয়। এটা দেশের কৌশলগত নিরাপত্তারও বড় প্রশ্ন। যখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম অস্থির হয়ে ওঠে, সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, তখন জ্বালানি সাশ্রয় ও দক্ষ ব্যবস্থাপনাই হয়ে ওঠে রাষ্ট্রের প্রথম প্রতিরক্ষা। বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশের জন্য এটি আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য সরকার, শিল্প খাত এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সরকার এরই মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ের নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সাধারণ মানুষকে জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের সরকারি-বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে আগাম ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশব্যাপী আলোকসজ্জা না করার আহ্বান করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের এ উদ্যোগের প্রশংসা করতে হয়। তবে একইসঙ্গে দেশের শপিংমল, বড় বড় বিপণিবিতানগুলোতে রমজান ও আসন্ন ঈদ উপলক্ষে যে আলোকসজ্জা করা হয়েছে, তা দ্রুত বন্ধ করার পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
শুধু রাজধানী ঢাকার শপিংমলগুলোর নিয়মিত আলোকসজ্জায় প্রতিদিন আনুমানিক ১২-২৫ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয় বলে এক হিসেবে দেখা যায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় বাড়তি আলোকসজ্জা। একই চিত্র দেশের সব বিভাগীয় শহর ও জেলাশহরগুলোতেও। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, শুধু আলোকসজ্জার পেছনে বিরাট অংশের বিদ্যুৎ খরচ হয়ে যাচ্ছে শপিংমলগুলোতে। যুদ্ধ পরস্থিতিতে এই বিদ্যুৎ খরচের লাগাম টেনে ধরা জরুরি। সব মার্কেটে অপ্রায়োজনীয় আলোকসজ্জা বন্ধ করতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে মার্কেটের জন্য একটা নির্দিষ্ট সময়ও বেঁধে দেওয়া যেতে পারে। রাত ৯টা বা ১০টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। এতে বিদ্যুৎ খরচ অনেকটাই কমানো সম্ভব।
যুদ্ধপরিস্থিতিতে বাংলাদেশে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সরকারকে এই মুহূর্তে বেশকিছু কাজ বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে করা উচিত বলে মনে করি। প্রথমত, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি খাতে জ্বালানি ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা দরকার। অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা, বিলবোর্ড, শপিংমলের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার এবং অফিস-আদালতে অনিয়ন্ত্রিত এয়ারকন্ডিশনার ব্যবহার সীমিত করার নির্দেশনা দেওয়া জরুরি। নির্দিষ্ট সময়ের পর দোকানপাট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সীমিত করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব।
দ্বিতীয়ত, পরিবহন খাতে জ্বালানি সাশ্রয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া, কারপুলিং চালু করা, অফিসের সময়সূচি ভিন্ন ভিন্ন করে দেওয়ার মাধ্যমেও জ্বালানি খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। অনেক ক্ষেত্রে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ ব্যবস্থা চালু করে পরিবহন খাতে জ্বালানি ব্যয় কমানো যেতে পারে। করোনাকালীন সময়ে যেভাবে ঘরে বসে মানুষ অফিস করতে, যুদ্ধকালীন জরুরি অবস্থা বিবেচনায় সেটাও ভেবে দেখা যায়।
তৃতীয়ত, শিল্প খাতে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি করা জরুরি। অনেক কারখানায় পুরনো প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে অপ্রয়োজনীয়ভাবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ নষ্ট হয়। আধুনিক জ্বালানি-সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উৎপাদন পরিকল্পনা করা এবং অপ্রয়োজনীয় মেশিন বন্ধ রাখা এসব পদক্ষেপ শিল্পখাতে বড় সাশ্রয় এনে দিতে পারে। যদিও এর সবগুলোই সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ ব্যাপার। তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি শিল্প ও অতি প্রয়োজনীয় শিল্পগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহের উদোগ নেওয়া হবে সবচেয়ে কার্যকর।
চতুর্থত, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জ্বালানি সংকটের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। কিন্তু এটাও সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ। তবে উদ্যোগ শুরু করা যেতে পারে। দেশি বিদেশি সহায়তায় জরুরি ভিত্তিতে সৌরবিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস ও বায়ু শক্তির মতো বিকল্প উৎস ব্যবহার বাড়ালে আমদানি করা জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে।
পঞ্চমত, জ্বালানি সাশ্রয়ে এই মুহূর্তে দেশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করা। যুদ্ধকালীন সংকটে সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে যে প্রতিটি ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা মানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা। অপ্রয়োজনীয় লাইট বন্ধ রাখা, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি সচেতনভাবে ব্যবহার করা এবং গ্যাস অপচয় কমানোর মতো ছোট ছোট অভ্যাসও জাতীয় পর্যায়ে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মানুষকে বোঝাতে হবে, যুদ্ধ সারা জীবন থাকবে না। ঈদ বার বার আসবে। উৎসব বারবার আসবে। কিন্তু ততদিন পর্যন্ত নির্বিঘ্নে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের সচেতনতার কোনো বিকল্প নাই।
সবশেষে, সরকার চাইলে একটি জাতীয় জ্বালানি সাশ্রয় কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারে, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহারে সীমা নির্ধারণ, জরুরি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুত বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ থাকবে। এ ক্ষেত্রে এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে দেশের সব শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিদের ডেকে সরকার তার পরিকল্পনা প্রকাশ ও পরামর্শ গ্রহণ করতে পারে। এতে সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে। সবাইকে বুঝতে হবে যে, এ বিপদ কারো একার নয়। সংকট যদি চেপে বসে, তবে সবার ঘাড়েই সমানভাবে পড়বে। কারণ, যুদ্ধের সময় জ্বালানি সাশ্রয় কেবল অর্থনীতির প্রশ্ন নয়। এটা জাতীয় নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতারও প্রশ্ন। তাই রাষ্ট্র ও নাগরিক উভয়ের দায়িত্বশীল আচরণই সংকট মোকাবিলার সবচেয়ে বড় শক্তি। বিপদে পড়লে সবাই একসঙ্গে পড়ব। ভালো থাকলেও সবাই একসঙ্গেই থাকার চেষ্টা করব।
লেখক: কথাসাহিত্যিক ও সহকারী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ