কালো গাউনে আবেদনময়ী শ্রুতি হাসান

আলো-আঁধারির মায়াবী আবহে এক চিলতে হাসি, আর তাতেই যেন পুরো ফ্রেম আলোকিত। নীরবতা, সৌন্দর্য আর রহস্যের মিশেলে শ্রুতি হাসানের এই মুহূর্তটি যেন নিজের মতো করেই একটি গল্প বলে।

আভিজাত্য, আত্মবিশ্বাস আর মায়াবী সৌন্দর্যের মিশেলে কালো গাউনে এক অন্যরকম মোহ ছড়াচ্ছে ভারতীয় সিনেমার সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত শিল্পীদের অন্যতম এই অভিনেত্রী।

বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেন শ্রুতি হাসান। ছবিতে যেন কালো গাউনে আবেদনের দ্যুতি ছড়াচ্ছেন অভিনেতা-চলচ্চিত্র নির্মাতা কমল হাসান ও অভিনেত্রী সারিকা ঠাকুরের মেয়ে।

২০০৯ সালে হিন্দি চলচ্চিত্র ‘লাক’-এর মাধ্যমে তিনি প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০১১ সালে ‘আনগানাগা ও ধীরুডু’ দিয়ে তেলুগু এবং ‘৭ আউম আরিভু’ দিয়ে তামিল চলচ্চিত্রে অভিষেক করেন শ্রুতি হাসান। এই দুটি চলচ্চিত্রের জন্যই শ্রেষ্ঠ নবাগত নারী অভিনেত্রী দক্ষিণ বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও লাভ করেন তিনি।

অভিনয় জীবনের পাশাপাশি হাসান একজন প্রতিষ্ঠিত গায়িকা এবং তার নিজস্ব মিউজিক ব্যান্ড রয়েছে। অভিনয় আর সংগীত-দু’দিকেই সমান দাপট দেখানো এই তারকা নিজেকে শুধু ‘স্টার কিড’ তকমায় আটকে রাখেননি।

বরং তেলুগু, তামিল ও হিন্দি-তিন ইন্ডাস্ট্রিতেই নিজের জায়গা পোক্ত করেছেন ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে। সালার-এর মতো হাজার কোটি টাকার ছবির অংশ হয়ে আজ তিনি ভারতের অন্যতম ব্যাঙ্কেবল অভিনেত্রীদের একজন।

শ্রতি তার বাবার প্রযোজনা ‘উন্নাইপোল ওরুভান’ (২০০৯) দিয়ে সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন এবং তারপর থেকে নিজের একটি সঙ্গীত ব্যান্ড গঠন করেছেন। তিনি এডিসন অ্যাওয়ার্ডে ‘উন্নাইপোল ওরুভান’-এর জন্য সেরা সঙ্গীত পরিচালকের পুরস্কার জিতেছেন।

রেডিফ.কম-এর ‘শীর্ষ তামিল অভিনেত্রী’ তালিকায় হাসান প্রথম স্থান অধিকার করেন। তিনি এর ‘সবচেয়ে আবেদনময়ী দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী’ তালিকায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেন। ২০২১ সালের জন্য ফোর্বস ইন্ডিয়ার দক্ষিণ সিনেমার সবচেয়ে প্রভাবশালী তারকাদের তালিকায় তিনি ২৪তম স্থানে ছিলেন।
২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি অনুসরণ করা তেলেগু অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন। ২০২৪ সালে শ্রুতি হাসান আইএমডিবি-র ১০০ সর্বাধিক দেখা ভারতীয় তারকার তালিকায় ৫৮তম স্থানে ছিলেন।

