এখনও বিক্রি হয়নি নামিদামি যেসব গরু

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের দেবীনগর গ্রামের বাসিন্দা সাহেরা বিবির পালিত ষাঁড় গরু ‘রাজাবাবু’। গরুটি দেখতে প্রতিদিনই আশপাশের জেলা থেকে আসছেন দর্শনার্থী ও ক্রেতারা। গতকাল রোববার সন্ধায় রাজধানীর গাবতলী গরুর হাটে উঠানো হয় রাজাবাবুকে। এ সময় বিশাল আকৃতির এই গরুটির দাম হাঁকানো হয়েছে ১২ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে গরুটির দাম ৯ লাখ টাকা উঠেছে বলে নিশ্চিত করেছেন মালিক আদু মোড়ল।

ফেনীর ছাগলনাইয়া পৌর এলাকার চৌধুরী রাস্তার মাথায় অবস্থিত জাহান এগ্রো ফার্মে পরম যত্নে লালন-পালন করা হয়েছে গরুটি। খামারের মালিক আরেফিন চৌধুরী বাদল এশিয়া পোস্টকে জানান, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবারের মাধ্যমে কোনো প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই গরুটিকে প্রস্তুত করা হয়েছে। কোরবানির বাজারে ফেনীর সবচেয়ে বড় গরুগুলোর একটি হবে। বিক্রির উদ্দেশ্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। গরুটির দাম ১২ লাখ টাকা হাঁকা হলেও, এখন পর্যন্ত সাড়ে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম উঠেছে বলে জানান মালিক।

জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার খামারি রফিকুল ইসলাম ও রোজিনা বেগম দম্পতি গত চার বছর ধরে নিজেদের সন্তানের মতো লালন-পালন করেছেন গরুটিকে। নাম ধরে ডাকলেই সাড়া দেয় জমিদার। কখনো দাঁত দেখাতে বললে দাঁত দেখায়, আবার ইশারা বুঝে পা-ও নাড়ায়। শান্ত স্বভাব ও মানুষের মতো আচরণের কারণে স্থানীয়দের কাছে এটি এখন বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। রফিকুল ইসলাম মোল্লা গরু নিয়ে ঢাকার গাবতলী হাটে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত গরুর দাম ৮ লাখ টাকা উঠেছে, গরুটি এখনো বিক্রি হয়নি।

প্রায় ৪০ মণ ওজনের এই বিশাল হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান ষাঁড়টি আকারে এতটাই বড় যে তাকে গোয়ালঘর থেকে বের করতে দেয়াল ভাঙতে হবে। এরই মধ্যেই যুবরাজ স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করপঞ্চগড়ের সেই যুবরাজ গরু এখনো বিক্রি হয়নি। আগে ১২ লাখ বললেও বর্তমানে ৯ লাখ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নিজ বাড়িতে ব্যাপারী এসে দেখে দাম বলেছে। কোন হাটে নেওয়া হয়নি। কারণ, হাটে নিতে গেলে দেয়াল ভাঙতে হবে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বিসমিল্লাহ অ্যাগ্রো ফার্মে বিশেষ পরিচর্যায় বেড়ে উঠা রাজাবাবু খামারজুড়ে এখন যেন উৎসবমুখর পরিবেশ। বিশাল দেহের কারণে ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনায় এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পাশের জেলা থেকেও মানুষ ছুটে আসছেন কালা বাবু, ধলা বাবু, ও রাজা বাবুকে একনজর দেখতে।