জনগণকে কনভিন্স করাটাই ছিল আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণকে কনভিন্স করাটাই ছিল আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিজয়ের পর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে বিকেল সাড়ে ৩টায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এত বেশি আসন পাওয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং করতে হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, জনগণকে কনভিন্স করাটাই হচ্ছে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং। আমাদের যে ইঞ্জিনিয়ারিংটা ছিল সেটা হচ্ছে—জনগণকে আমাদের পক্ষে নিয়ে আসা, সেটাতে আলহামদুলিল্লাহ আমরা সফল।
এ সময় তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণ আবারও বিএনপিকে বিজয়ী করেছে, আলহামদুলিল্লাহ। এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় গণতন্ত্রের। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশে জনগণের সরাসরি ভোটে জবাবদিহিমূলক সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ভোটে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু দেশ গঠনে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। দেশের স্বার্থে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব ইনশাআল্লাহ। এবার আমাদের দেশ গড়ার পালা।
এ সময় নির্বাচনে অংশ নেওয়া দল, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ‘আন্তরিক ধন্যবাদ’ জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকার এবং বিরোধী দল যে যার অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে অবশ্যই দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করবে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ও প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশ গঠনে আপনাদের চিন্তাভাবনা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের পথ ভিন্ন থাকতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে সবাই এক। আমি বিশ্বাস করি জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও (চট্টগ্রাম ২, ৪) বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাদের শরিকরা পেয়েছে ৩টি আসন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮ আসন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬ আসন। স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল মিলিয়ে পেয়েছে ১৪ আসন।