বাকি ৪৭ আসনের মধ্যে ৩২টি চায় জামায়াত!

ইসলামী আন্দোলন জোটে না আসায় তাদের জন্য বরাদ্দ রাখা ৪৭টি আসনের মধ্যে নিজেদের জন্য ৩২টি আসন রাখার প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। বাকি আসনগুলো জোটের ৯ দল পাবে।
খালি থাকা ৪৭ আসনের সমঝোতা নিয়ে জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক হচ্ছে। সোমবারও (১৯ জানুয়ারি) এ নিয়ে বৈঠকে বসেন শীর্ষ নেতারা। সেখানে নিজেদের জন্য ৩২ আসন রাখার প্রস্তাব দেয় দলটি।
এর আগে জামায়াত, এনসিপিসহ ‘১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪৭টি আসন ফাঁকা রেখে ২৫৩টি আসনে সমঝোতা চূড়ান্ত করেছিল। তবে ইসলামী আন্দোলন আলাদা হয়ে যাওয়ায় ওই আসনগুলো এখন জোটভুক্ত অন্য দলগুলোর মধ্যে বণ্টনের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।
জানা গেছে, বাকি ৪৭ আসনের মধ্যে জামায়াতের ৩২টি বাদে অন্যগুলো মাওলানা মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মসলিস ও নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। জনপ্রিয়তা ও দলীয় অবস্থান বিবেচনায় আজ আসন বণ্টন চূড়ান্ত করা হবে বলে নেতারা জানান।
এদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তিনি বরিশাল-৫ (সদর-সিটি) ও বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে নির্বাচন করবেন। এর মধ্যে বরিশাল-৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা মাহমুদুন্নবী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন।
মাওলানা মামুনুল হকের সম্মানে ঢাকা-১৩ ও বাগেরহাট-১ আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন। সোমবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান দলটির যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
আগের সমঝোতা অনুযায়ী, ২৫৩ আসনের মধ্যে জামায়াত ১৭৯, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফত মজলিস ১০, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি ৩, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ও নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি করে আসন পেয়েছে। এই নির্বাচনি মোর্চার অন্য দুটি দল বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) কোনো প্রার্থী দেবে না। তবে দল দুটি নির্বাচনি ঐক্যে শরিক থাকছে।