তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ : ফারুক

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, তার বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) নবীন দলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
ফারুক বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, তা বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছেন। এ সময় তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, তারেক রহমানকে যেন সাহস, শক্তি ও সুস্থতা দান করেন।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে সাবেক চিফ হুইপ বলেন, ১৬ বছর নির্বাসনে থেকেও মামলা ও নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে তারেক রহমান আন্দোলন-সংগ্রামে কর্মীদের সাহস জুগিয়েছেন এবং ৩১ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে শক্তি দিয়েছেন। আজ তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের চেষ্টা করে যাচ্ছেন, যার প্রমাণ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।
নিজের দীর্ঘ সংসদীয় অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ফারুক বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, আর গুম হবে না, খুন হবে না, হাইজ্যাক হবে না, মিথ্যা মামলা হবে না।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমান আজ দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জনগণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের লক্ষ্যেই তিনি সরকার গঠন করেছেন।
এই সরকার কোনো ব্যক্তির জন্য গঠন করা হয়নি মন্তব্য করে জয়নুল আবদিন বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করাই এ সরকারের লক্ষ্য। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র রক্ষা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।
অতীতে গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে যে ত্যাগ ও আন্দোলন হয়েছে, সেই অর্জন ধরে রাখতে সবাইকে সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সংসদে সরকার ও বিরোধী দল নিজেদের সাংবিধানিক ভূমিকা পালন করবে—এটাই প্রত্যাশা বলে জানান এই সংসদ সদস্য।
সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, মৎস্যজীবী দলের নেতা ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রমুখ।