শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত

জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষের পর শেরপুর জেলা বিএনপির ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব এবিএম মামুনুর রশিদ পলাশের নেতৃত্বাধীন শেরপুর জেলা বিএনপির ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত করা হয়েছে।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ কমিটি স্থগিত থাকবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। তবে, কমিটি স্থগিতের কারণ কিংবা পরবর্তী সাংগঠনিক পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, বুধবার বিকেলে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে মঞ্চে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। হামলায় জামায়াত নেতা রেজাউল করিম (৪২) মারা যান।
এ ঘটনায় রাতে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, বিএনপির সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জামায়াত সমর্থকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এতে জামায়াতের ৫০ জনের অধিক সমর্থক আহত হন। তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মাওলানা রেজাউল করিম শাহাদাতবরণ করেন।
তিনি আরও লিখেছেন, এ ব্যাপারে এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর ভূমিকা জনগণ দেখতে চায়। তারা কেমন নির্বাচন জাতিকে উপহার দেয়। আর যারা এই খুনের নেশায় মত্ত হয়েছে, এদের পাকড়াও করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া দরকার। আমরা চাই দ্রুত এদের পাকড়াও করা হোক। কোনো ধরনের গড়িমসি জাতি বরদাশত করবে না।