logo

‘শক্তিশালী’ সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি বিএনপির

‘শক্তিশালী’ সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি বিএনপির

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে ‘রাজনীতিমুক্ত পেশাদার ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী’ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

ক্ষমতায় গেলে বিএনপি দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কী কী করবে, সেই পরিকল্পনা জাতির সামনে তুলে ধরে তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীকে সব বিতর্কের বাইরে রাখতে চায় তার দল।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘প্রতিরক্ষা পররাষ্ট্রনীতি। অবশ্যই সশস্ত্র বাহিনীকে আমরা সব বিতর্ক ও রাজনীতিকরণের বাইরে রাখতে চাই। আমরা যদি সত্যিকারভাবে আমাদের একটি শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে চাই, তাহলে অবশ্যই আমাদের পেশাদারত্ব বা প্রফেশনালিজমের ওপর জোর দিতে হবে এবং অবশ্যই অবশ্যই এবং অবশ্যই তাদের সব রাজনীতিকরণের বাইরে আমাদের রাখতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের ক্ষেত্রে আমরা ওয়ান র‌্যাংক ওয়ান পেনশন (ওআরওপি) পলিসিটা চালু করতে চাইছি।’

ইশতেহারে বলা হয়েছে, ‘বিএনপি বিশ্বাস করে, সুশৃঙ্খল, রাজনীতিমুক্ত ও যুগোপযোগী সক্ষমতা গড়ে ওঠা প্রতিরক্ষা বাহিনীই কেবল দেশকে নিরাপদ রাখতে পারে। সশস্ত্র বাহিনী যেন উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।’

ইশতেহারে সুশৃঙ্খল ও আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী, চতুর্মাত্রিক সশস্ত্র বাহিনী ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ সক্ষমতা, জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল ও সর্বাঙ্গীণ পরিকল্পনা, যুগোপযোগী প্রতিরক্ষা নীতি ও ডকট্রিন, শক্তিশালী বিমানবাহিনী, শক্তিশালী নৌবাহিনী ও সমুদ্র নিরাপত্তা, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলা, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, সামাজিক ও প্রতিরোধমূলক কৌশল, গণতান্ত্রিক সামরিক ও বেসামরিক সম্পর্কের সুদৃঢ় কাঠামো প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হয়।

এদিন ‘মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র’ বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতিতে ৯টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে সাজানো বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার শুক্রবার ঘোষণা করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।