logo

ছাত্রদল আমার আবেগের জায়গা, আমি তার পার্বতী: নাদিয়া পাঠান পাপন

ছাত্রদল আমার আবেগের জায়গা, আমি তার পার্বতী: নাদিয়া পাঠান পাপন
নাদিয়া পাঠান পাপন। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি মনোনীত নারী সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন বলেছেন, ছাত্রদল আমার কাছে কেবল একটি সংগঠন নয়, বরং এটি একটি গভীর আবেগের জায়গা। আমি সংগঠনকে দেবদাসের মতো ভালোবাসি আর নিজেকে মনে করি তার পার্বতী।

সম্প্রতি এশিয়া পোস্টের আলাপন অনুষ্ঠানে এসে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।

নাদিয়া পাঠান পাপন বলেন, তাকে যদি ভবিষ্যতে দলের আরও বড় কোনো বা জাতীয় পর্যায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবুও ছাত্রদলের প্রতি তার এই আবেগ এবং ভালোবাসা আজীবন একই রকম অটুট থাকবে। কারণ, দুঃসময়ে এই সংগঠনের মাধ্যমেই তার রাজনীতির হাতেখড়ি হয়েছে এবং এই সংগঠনের প্রতিটি কর্মীর সঙ্গে তার নাড়ির সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। ২০০৬ সালের পর যখন সরকার পরিবর্তন হয়, তখন অনেক নেতাকর্মী পদ ছেড়ে দিলেও তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জুনিয়র কর্মীদের রাজপথে আগলে রেখেছিলেন। ত্যাগী নেতাকর্মীদের দুঃখ-দুর্দশা তিনি সবসময় নিজের মনে করেছেন এবং তাদের বিপদে পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, নিজের অনুসারীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন যাতে আন্দোলন সংগ্রামে তারা কোনোভাবে পিছিয়ে না পড়ে। তাকে ছাত্রদলের শীর্ষ পদে না দেওয়ার জন্য বিবাহিত হওয়ার অজুহাত দেখানো হলেও তিনি দমে না গিয়ে তার লড়াই চালিয়ে গেছেন এবং সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বৈষম্য তুলে ধরেছেন।

নাদিয়া পাঠান বলেন, বহিষ্কৃত হওয়া সত্ত্বেও তার সেই সাহসী আন্দোলনের ফলে আজ ছাত্রদলের বিবাহিত মেয়েদের রাজনীতিতে আসার পথ সুগম হয়েছে, যা তিনি বড় অর্জন বলে মনে করেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, নইলে নারী নেতৃত্বে তিনি অনেক বড় পরিবর্তন আনতে পারতেন। কর্মীদের মূল্যায়ন করা এবং ক্রাইসিস মোমেন্টে পাশে থাকা তিনি তার সিনিয়র নেতাদের কাছ থেকেই শিখেছেন।