কীভাবে আহত হলেন ইনকিলাব মঞ্চের জাবের-আম্মার

শহীদ ওসমান হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রা করে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এ সময় বাধা দিলে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে পুলিশের।
সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ আহত হন আরও বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। আহতদের চিকিৎসা দিতে তাৎক্ষণিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে রাজধানীর শাহবাগে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান নেয় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এক পর্যায়ে তারা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রা করে। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে নেতাকর্মীরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে লাঠিচার্জসহ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদুনে গ্যাস ছুড়তে থাকে। এ সময় পুলিশকে লক্ষ করে পাল্টা ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকেন আন্দোলনকারীরা।
সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের আহত হন বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। এ সময় আরও আহত হন রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। পরে দ্রুত সেখান থেকে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংঘর্ষের পর ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগে অবস্থান করছেন।
ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে দাবি করা হয় জাবের গুলিবিদ্ধ। এক স্ট্যাটাসে বলা হয়, ‘জাবের ভাই গুলিবিদ্ধ। জুমা ও শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হইছে।’
তবে ঢাকা মেডিকেলের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ইমরান হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত ২০-২৫ জন রোগী এসেছে। তাদের সবাই আহত। তবে গুলিবিদ্ধ বা রাবার বুলেটবিদ্ধ কেউ এসেছে কিনা সেটা এখনই বলতে পারব না। অনেকেরই ভর্তি ছাড়া চিকিৎসা চলছে।
এদিকে জাতিসংঘের অধীনে শহীদ ওসমান হাদী হত্যার তদন্ত ও জড়িতদের বিচারের দাবিতে এবং ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জোবায়েরের নেতৃত্বে ঢাকা মেডিকেল থেকে একটি মিছিল বিকেল সাড়ে ৫টায় শাহবাগ ব্লকেড করে।