logo

সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী বাছাইয়ে যেসব বিষয় দেখবে বিএনপি

সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী বাছাইয়ে যেসব বিষয় দেখবে বিএনপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে বিএনপি। রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।

মনোনয়ন ফরম বিক্রির উদ্বোধন করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। এ সময় তিনি জানান, আওয়ামী লীগের শাসনামলে যারা নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের মধ্য থেকেই সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী বেছে নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলে থাকার কারণে বিএনপির নারী নেত্রীদের কারাবরণসহ নানা ধরনের নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তাই দলীয় মনোনয়ন বোর্ড সবদিক বিবেচনা করে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করবে—এটাই সবার প্রত্যাশা। 

মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে বলেও জানান রিজভী। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং জাতীয় সংসদে কার্যকরভাবে কথা বলার সক্ষমতা।

আগামী ১২ মে ভোটের দিন রেখে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০ আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৫০টি। এর মধ্যে বিএনপির জন্য ৩৬টি এবং জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য একটি আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।