logo
Advertisement

গণতান্ত্রিক সরকার বাধাগ্রস্ত হলে দেশের অস্তিত্বে টান পড়বে: শামসুজ্জামান দুদু

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
গণতান্ত্রিক সরকার বাধাগ্রস্ত হলে দেশের অস্তিত্বে টান পড়বে: শামসুজ্জামান দুদু
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। ছবি: সংগৃহীত

ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই জানিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, গণতন্ত্রে ভিন্নমত ও সমালোচনা থাকবে, তবে ঐক্য ভাঙা যাবে না। এই সরকার কোনো কারণে বাধাগ্রস্ত হলে দেশের অস্তিত্বে টান পড়বে, কারণ সামনে এই সরকারের কোনো বিকল্প নেই।

Advertisement

তিনি বলেন, ১৮ বছরের চেষ্টার ফসল হচ্ছে গণতান্ত্রিক সরকার। এই সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশের একজন গণহত্যাকারী নেত্রী, লুটপাটকারী নেত্রী নানামুখী উসকানি দিচ্ছেন এবং অর্থ বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে এখানে বিশৃঙ্খলা ঘটানোর চেষ্টা করছেন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জনতার অধিকার পার্টির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রম তুলে ধরে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, এই ছয় মাসে বাংলাদেশের মানুষ অনেক কিছু পেয়েছে। সামনের দিনগুলোতে আরও অনেক কিছু পাবে। কৃষকের ভাবনার কথা বিএনপির পক্ষ থেকে তারেক রহমান বলেছেন। ইতিমধ্যে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক সামাজিক ও উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত শুধু গ্রহণ করা হয়েছে, তা কার্যকর করার পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থানে রয়েছে। দুই-একটি ঘটনার মুখোমুখি হয়েছে সরকার। সরকার সিরিয়াসলি কোনো রকম সন্ত্রাস এ দেশে চলবে এটা মানবে না।

দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দ্রব্যমূল্যের ব্যাপারে কারসাজি করার একটি মহল অতীতে যেমন চেষ্টা করেছে, এখনো চেষ্টা করছে। এটিও যারা করছেন, তাদের আমি হুঁশিয়ারি দেব। সরকারের নলেজে আছে এবং সরকার যথারীতি সে ব্যাপারে পদক্ষেপ কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিচ্ছে। বাকি যেটা আছে, ওটাও নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনার প্রসঙ্গে বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, অতীতে অনেক অপকর্ম করেছেন শেখ হাসিনা। সামনের দিনগুলোতে আপনি গণতন্ত্রের স্বপক্ষে কাজ করে অতীতের কিছুটা দুষ্কর্মের স্খালন করেন। একটু নিজেকে সংশোধন করেন। না হলে পরে আগামী দিনে আপনি এবং আপনার দল যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে, সেটি খুব ভালো পরিস্থিতি এটি বলা যাবে না।

তিনি বলেন, বিএনপিসহ জনতার অধিকার পার্টির অনেক নেতা-কর্মী গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলা ও কাজ করার কারণে নির্যাতিত হয়েছেন। এখন সরকার এবং গণতন্ত্র আমরা পেয়েছি। সেই জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোন কোন বিষয়ে ভিন্নমত থাকবে, সমালোচনা থাকবে। গণতন্ত্রে আলোচনা-সমালোচনা থাকবে। কিন্তু ঐক্য ভাঙা যাবে না। ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।

আইনের শাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেকোনো ব্যাপারে আইনের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ আছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই গণতন্ত্র। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্যই বিএনপি। সেজন্য বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার করলে যারা করবে, যে কোনো রাজনৈতিক দল, তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।