ঢাবি শিক্ষার্থীদের ‘এতিম-মিসকিন’ দেখিয়ে ফান্ড এনেছে ডাকসু: হামিম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের ‘এতিম-মিসকিন’ দেখিয়ে বিদেশিদের কাছ থেকে ডাকসু ফান্ড এনেছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রদল নেতা ও ডাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম। তিনি বলেছেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘মিসকিন-এতিম’ হিসেবে উপস্থাপন করে আরব দেশগুলো থেকে জাকাতের অর্থ সংগ্রহ করে সেই অর্থ ডাকসুর উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হয়েছে।”
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এশিয়া পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডাকসুর বর্তমান শিবির-সমর্থিত প্যানেলকে উদ্দেশ্য করে তিনি এসব কথা বলেন।
তানভীর বারী হামিম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও ডাকসুর পক্ষ থেকে ৩৫ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ করার কথা বলা হচ্ছে। এত বড় অর্থের উৎস কোথা থেকে এসেছে। তার স্বচ্ছ হিসাব শিক্ষার্থীদের সামনে প্রকাশ করা প্রয়োজন।’
হামিমের দাবি, তিনি বিভিন্ন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাদের কাছ থেকে বর্তমান ডাকসুর কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষের কথা শুনেছেন।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন কোম্পানির সিএসআর ফান্ড অথবা বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জাকাতের ফান্ড এনে আমাদের মিসকিন দেখিয়ে উন্নয়ন করা হয়েছে কি না, এ প্রশ্নের উত্তর ডাকসু নেতাদের দিতে হবে।’
উন্নয়নকাজের উদাহরণ তুলে ধরে হামিম বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদে যেখানে আগে ফ্যান ছিল, সেখানে এসি লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি পাঠাগারসহ বিভিন্ন স্থানে উন্নয়নকাজ করা হয়েছে। এসব কাজের অর্থের উৎস কী?’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেরুদণ্ডওয়ালা শিক্ষার্থী, বাংলাদেশের বিবেক। তাদের এতিম-মিসকিন বানিয়ে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে কি না, এ প্রশ্ন শিক্ষার্থীদেরই করতে হবে।’
বর্তমান ডাকসুর কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হামিম। শিক্ষার্থীদের আবাসন, মানসম্মত খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং অ্যাকাডেমিক পরিবেশের উন্নয়নে প্রত্যাশিত পরিবর্তন এসেছে কি না, তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মতামত জানতে চান তিনি।


