logo

সড়কমন্ত্রীর সমালোচনা করে জামায়াত এমপির পোস্ট

সড়কমন্ত্রীর সমালোচনা করে জামায়াত এমপির পোস্ট
যানজটে আটকা পড়ার পর গাড়ি থেকে নেমে ছবি তুলছেন নুরুল ইসলাম বুলবুল। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আজহা। তার একদিন আগেও ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী মহাসড়কে যাত্রী দুর্ভোগের চিত্র যেন থামছেই না। ঈদযাত্রার শুরু থেকেই এ রুটে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করার নানা আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে পরিস্থিতি তার বিপরীত। দীর্ঘ যানজটের কারণে অনেক যাত্রী ঢাকা থেকে রওনা দিয়েও ১২ ঘণ্টায় টাঙ্গাইল অতিক্রম করতে পারছেন না।

মহাসড়কের দীর্ঘ যানজট এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে যানজটে আটকে থাকার কারণে সময়মতো এলাকায় পৌঁছে গরিব-অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।

বুধবার (২৭ মে) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বুলবুল জানান, গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বরাদ্দকৃত ১০ লাখ টাকার ঈদ উপহার বিতরণ এবং সড়ক দুর্ঘটনা ও বজ্রপাতে নিহত দুই পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতেই তিনি মঙ্গলবার রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন।

তিনি লেখেন, তীব্র যানজটের কারণে বুধবার বেলা ১১টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত আমরা টাঙ্গাইলেই আটকে আছি। এমপি বুলবুল জানান, তালিকা অনুযায়ী এক হাজার মানুষকে এক হাজার টাকা করে দুটি পৃথক স্থানে সকাল ১০টা ও ১১টায় তার উপস্থিতিতে সহায়তা বিতরণের কথা ছিল। কিন্তু যানজটের কারণে সেটা আর সম্ভব হয়নি।

এ জন্য পোস্টে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, একদিকে যোগাযোগমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ যাত্রায় জনগণের স্বস্তির কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। যানজটের কারণে মানুষের দুঃসহ ভোগান্তির বাস্তব চিত্র আমি নিজেই উপলব্ধি করছি।

তিনি অভিযোগ করেন, প্রায় ১২ ঘণ্টায় ঢাকা থেকে শুধু টাঙ্গাইল পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছেন এবং এই সময়ে কোথাও ট্রাফিক পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা চোখে পড়েনি।

স্ট্যাটাসে ক্ষোভ প্রকাশ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, প্রায় ১২ ঘণ্টায় ঢাকা থেকে শুধু টাঙ্গাইল পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছেন এবং এই লম্বা জার্নিতে রাস্তার কোথাও ট্রাফিক পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো উপস্থিতি চোখে পড়েনি।