বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে: ইসলামী আন্দোলন

বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ। তিনি বলেন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে—যা নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি।
সবজি, মুরগি, ভোজ্যতেল ও চিনিসহ অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে উল্লেখ করে ইউনুস আহমাদ বলেন, ‘এতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর। অনেক ক্রেতা দাম বেড়ে যাওয়ায় পছন্দের পণ্য থেকে সরে এসে তুলনামূলক কম দামের পণ্য কিনছেন। কেউ কেউ প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে কেনাকাটা করছেন।’
মূল্যবৃদ্ধির কারণে জনজীবনে ভোগান্তি নেমে এসেছে জানিয়ে দলের মহাসচিব বলেন, সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪৩০ টাকায়, রোজায় যা ছিল ২৭০-৩০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকায়, লেয়ার মুরগি ৩৪০-৩৫০ টাকায়। গরুর মাংসের কেজি এখন ৮০০ টাকা, যেখানে ঈদের আগে ছিল ৭৫০-৭৮০ টাকা। রুই, কাতলা ও তেলাপিয়ার দাম ২০ টাকা বেড়েছে। সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে লিটারে অন্তত ৫ টাকা। সবজির দাম ২০-৩০ টাকা বেড়ে শতকের ঘরে পৌঁছেছে। চিচিঙ্গা, ঝিঙে ও ধুন্দল ১০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করা হলেও বাজারে খুচরা বিক্রেতারা ২ হাজার থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি করছেন।’
তার মতে, দাম বৃদ্ধির যথাযথ কারণ নেই। সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি, অতি মুনাফাখোরি মনোভাবের কারণে সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পায়। ফলে সাধারণ মানুষকে কষ্ট করতে হয়।
বাজার তদারকি করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানায় ইসলামী আন্দোলন। যেন মজুতদারি ও সিন্ডিকেট করে কেউ মূল্যবৃদ্ধি করতে না পারে।
চাঁদাবাজি বন্ধ করে অতি মুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের লাগাম টেনে ধরার আহ্বান জানান ইউনুস আহমাদ।