মানুষ ভারত-আমেরিকার গোলাম হয়ে থাকতে চায় না: চরমোনাই পীর

দেশের মানুষ ভারত বা আমেরিকার গোলাম হয়ে থাকতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (আইএবি) আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। তিনি বলেন, দেশের মানুষ এখন মুক্তি চায়। কোরআনের শাসন দেখতে চায়।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত নগর সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
চরমোনাই পীর বলেন, দেশে শতাধিক রাজনৈতিক দল আছে। সবাই সভা-সেমিনারে দেশপ্রেমের বয়ান দিয়ে আসছে। অথচ দেশের ক্লান্তিকালে কখনও তারা দেশপ্রেমের চিন্তায় জয়ী হতে পারেনি।
জুলাই অভ্যুত্থানে কেউ দলীয় ব্যানারে সরাসরি আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে আসতে পারেনি জানিয়ে তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন কথা-কাজের মিল রেখে আন্দোলনে সবসময় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। জুলাই অভ্যুত্থানের দিনগুলোই জ্বলন্ত সাক্ষী ইসলামী আন্দোলন ইসলাম, দেশ ও মানবতার পক্ষের শক্তি।
তার মতে, স্বাধীনতার পর থেকে যারাই দেশের শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেছে, তাদের মাধ্যমে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি। বরং বারবার এ দেশের মানুষকে রক্তের বিনিময়ে তাদেরকে ক্ষমতাচ্যুত করতে হয়েছে। জাতি হিসেবে এগুলো কলঙ্কজনক অধ্যায়।
দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার পতন হয়েছে। কেউ যদি জুলাই আন্দোলন থেকে শিক্ষা না নেয়, তাহলে তাদের পরিণতিও ভয়াবহ রূপ নেবে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে বিএনপি স্বৈরাচারী আচরণের দিকেই পরিচালিত হচ্ছে বলে মনে হয়।
জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করতে সরকারকে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহমদ আবদুল কাইয়ূমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আলহাজ আবদুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন আইএবির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ আবদুর রহমান, কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতি কেফায়াতুল্লাহ কাশফী, কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আবুল কাশেম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) মাওলানা আরিফুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি আলহাজ আলতাফ হোসেন, আলহাজ আনোয়ার হোসেন, এমএইচ মোস্তফা, আলহাজ আবদুর রাজ্জাক, কে এম শরীয়াতুল্লাহ, ছাত্রনেতা মুনতাসির আহমাদ, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, জিয়াউল আশরাফ, নাজির আহমাদ শিবলী, মাইনুল ইসলাম, জুবায়ের হোসাইন প্রমুখ।
.png)





