logo

ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, ৫ জন হাসপাতালে

ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, ৫ জন হাসপাতালে

কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত কুমিল্লা পলিটেকনিকাল ইনস্টিটিউট ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত একটি মারধরের অভিযোগকে ঘিরে। জানা গেছে, বিকেলে পলিটেকনিকের এক শিক্ষার্থীকে থাপ্পড় দেওয়ার পর উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে ছাত্রশিবিরের সদস্যরা ওই ঘটনার বিচার দাবি করতে অধ্যক্ষের কক্ষে যান। অধ্যক্ষ বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠনের আশ্বাস দেন। তবে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

অধ্যক্ষের কক্ষেই দুই পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়ে এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এটি মূলত সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, সংগঠনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের অভিযোগ, ছাত্রদলের একটি কর্মসূচি চলাকালে তাদের কর্মী নাফিস আব্দুল্লাহকে মারধর করা হয়। পরে সেই ঘটনার ভিডিও চাইতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, এতে সংগঠনের স্থানীয় সভাপতি ও সেক্রেটারিসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং কয়েকজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ মাজারুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনার সময় কোনো সংগঠনের স্লোগান ছিল না এবং হঠাৎ করেই পরিস্থিতি সংঘর্ষে গড়ায়। তিনি বলেন, বিকেলের থাপ্পড়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই উত্তেজনা তৈরি হয়। তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তার আগেই সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়।

এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।