logo

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: এশিয়া পোস্ট কোলাজ

কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬'। দিবসের শুরুতে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এ উপলক্ষ্যে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের উপ-হাইকমিশনারের সভাপতিত্বে একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, কলকাতাস্থ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং কলকাতাস্থ সোনালী ব্যাংক, পিএলসি-তে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আমন্ত্রিত অতিথিগণ অংশগ্রহণ করেন।

পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬' উদযাপন অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬' উদযাপন উপলক্ষ্যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এরপর এ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। জাতীয় দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য উল্লেখ্য করে আলোচনা অনুষ্ঠানে কর্মকর্তাগণ বক্তব্য রাখেন।

আলোচনার শেষ পর্যায়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য উল্লেখ্য করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন উপ-হাইকমিশনার মোঃ খালেদ। তিনি সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে এক অনন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

তিনি আরও যোগ করেন, ঐতিহাসিক সংহতির সেই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কেবল নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব।