logo

ফ্রান্সে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

ফ্রান্সে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

প্যারিসে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বাংলাদেশের ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাস প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় নানা কর্মসূচি।

এদিন সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম এ তালহা, দূতাবাসের কর্মকর্তারা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক ও কমিউনিটির সাধারণ প্রবাসী বাংলাদেশিরা। উপস্থিত সবাইকে নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগের স্মরণে সবার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

পরে দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা পরিচালনা করেন দূতাবাসের দূতালয় প্রধান মো. ওয়ালিদ বিন কাশেম। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। 

এরপর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মরণে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। বক্তারা তাদের বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তারা বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশি মানুষের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের এক অনন্য দৃষ্টান্ত, যা দেশে ও বিশ্বে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। 

বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে বিগত দিনে যে ভাবে শুধু মাত্র একটি দলের পক্ষে চিত্রায়িত করা হয়েছে ভবিষ্যতে যেন তা না হয় সে দিকে সবাইকে দৃষ্টি রাখার আহ্বান।

সুদূর প্রবাসে বসেও স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশের ইতিহাস এবং দেশপ্রেম জাগ্রত করা। সেই সঙ্গে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিত করার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন উপস্থিত অনেকে। শেষে রাষ্ট্রদূত উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষণা করেন।