বাহরাইনে লালন সাঁই তিরোধান দিবস-২০২৬ আয়োজিত

‘লালন সাঁই তিরোধান দিবস-২০২৬’ আয়োজন করেছে বাহরাইনের মানামাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দূতাবাসের হল রুমে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন শ্রেণির পেশাজীবী, বাহরাইনস্থ বাংলাদেশ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিকসহ বাংলাদেশি প্রবাসী এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
রাষ্ট্রদূত রইস হাসান সরোয়ার বলেন, লালন ফকির ছিলেন একধারে বাউল, সাধক ও শিল্পী। বর্তমানে তিনি শুধু বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতির অংশ নয়, বরং ২০০৫ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক লালন ফকির ও তার দর্শনে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ঐহিত্যবাহী বাউল গান ও বাউল সংস্কৃতিকে ‘বিশ্ব মানবতার অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণা করে। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গণে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন তিনি।
সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা, সাংস্কৃতিক চর্চার প্রসার, গবেষণা ও শিক্ষালাভের জন্য লালনের দর্শন ও অবদানকে স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার প্রথম বারের মতো লালন সাঁই তিরোধান দিবস-২০২৬ কে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর ফলে বাংলাদেশের লোকগীতি, লোকসংগীত এবং লোক সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করবে।
তিরোধান দিবসে লালন সাঁইয়ের প্রেম, অহিংসা ও অসাম্প্রদায়িকতার চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গঠনে যার যার অবস্থান থেকে অবদান রাখার জন্য আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত।
আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে, লালন সাঁই-এর স্মরণে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন এবং
