logo

বাহরাইনে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত

বাহরাইনে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার। ছবি: এশিয়া পোস্ট

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও সনাতন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাহরাইনে উদযাপিত হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২৬। বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, বাহরাইন বৈদেশিক শাখার উদ্যোগে নবমবারের মতো আয়োজিত এ উৎসবে অংশ নেন প্রবাসী সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এ সময় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার।

বাহরাইনের রাজধানী মানামার অদূরে আলিয়ে নাকলা সুইমিংপুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ দুর্গোৎসবকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ঢাকের শব্দ, পূজার মন্ত্রোচ্চারণ ও ভক্তদের প্রার্থনায় মুখর হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপ। প্রবাসের ব্যস্ত জীবনের মধ্যেও ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধরে রাখতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নবমবারের মতো আয়োজিত এ উৎসবে সনাতন ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে দেবী দুর্গার পূজা-অর্চনা করেন ভক্তরা। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি প্রবাসীদের পারস্পরিক যোগাযোগ, সৌহার্দ ও সম্প্রীতি বিনিময়ের উপলক্ষ হয়ে ওঠে এ উৎসব।

প্রচলিত ধর্মীয় পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন ঘোড়ায় এবং কৈলাসে গমন নৌকায়। সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাসে দেবীর আগমন ও গমনের বাহনকে ঘিরে রয়েছে বিভিন্ন তাৎপর্য ও ব্যাখ্যা।

দুর্গোৎসব উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আসেন বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন এবং প্রবাসী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

প্রবাসে ধর্মীয় উৎসব শুধু পূজা-অর্চনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সামাজিক বন্ধন অটুট রাখারও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এ ধরনের আয়োজন প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্য জোরদারের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরতে সহায়তা করে।

ধর্মীয় বিশ্বাস, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে বাহরাইনে উদযাপিত শারদীয় দুর্গোৎসব প্রবাসী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে আনন্দ, মিলনমেলা ও সৌহার্দের আবহ সৃষ্টি করেছে।