logo
Advertisement

মিশরে মেক্সিকোর জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি কূটনীতিকরা আমন্ত্রিত

আফছার হোসাইন
আফছার হোসাইনমিশর
মিশরে মেক্সিকোর জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি কূটনীতিকরা আমন্ত্রিত
অনুষ্ঠানে মেক্সিকোর দূত ও বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা। ছবি: এশিয়া পোস্ট

প্রাচীন সভ্যতার দেশ মিশরের রাজধানী কায়রোতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে মেক্সিকোর ২১৬তম জাতীয় দিবস। জাঁকজমকপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের তিন কূটনীতিকসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনৈতিক প্রতিনিধি, মিশরের সরকারি-বেসরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং মেক্সিকান কমিউনিটির সদস্যসহ প্রায় চৌদ্দশত আমন্ত্রিত অতিথি অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) কায়রোতে মেক্সিকো দূতাবাসের সরকারি বাসভবনের সুবিশাল বাগানে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে স্বস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন কায়রোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) গৌতম কুমার দে, দূতালয় প্রধান আতাউল হক এবং শ্রম সচিব জাকির হোসেন।

বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের পাশাপাশি মিশরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি নাজমা হোসাইন এবং ব্রিটিশ-বাংলাদেশি ড. পুষ্প হোসাইনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে মেক্সিকো ও মিশরের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে মিশরে নিযুক্ত মেক্সিকোর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত হেক্টর অগাস্টিন ওর্তেগা অতিথিদের স্বাগত জানান।

স্বাগত বক্তব্যে ওর্তেগা মেক্সিকো ও মিশরের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন সামাজিক মূল্যবোধ এবং জনগণের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ক্রমশ আরও গভীর হচ্ছে। ভবিষ্যতে সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বিনিময় আরও জোরদার করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে এই প্রতিবেদককে বলেন, মেক্সিকোর জাতীয় দিবসের এ আয়োজনে অংশ নিতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মেক্সিকোর সরকার ও জনগণের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করছি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক সম্মানভিত্তিক সম্পর্ক রয়েছে। ভৌগোলিক দূরত্ব থাকলেও দুই দেশের মানুষের মধ্যে সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ক্ষেত্রে অনেক মিল রয়েছে। আগামী দিনে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী সংগীত পরিবেশন করা হয়। অতিথিদের জন্য ছিল দেশটির জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী নানা খাবার ও মার্গারিটা। বর্ণিল সাজসজ্জা ও আতশবাজিতে পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।