মিশরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

প্রবাসে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতীয় চেতনাকে ধারণ করে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মিশরে পালিত হয়েছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস।
শনিবার (৭ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় কায়রোতে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা হয়। দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন মিশরে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে।
পরিচয় মিলল মিশরের কারাগারে আটক ৬৫ বাংলাদেশির, দেশে ফেরার আকুতি
দিবসটি উপলক্ষে দুপুরে দূতাবাসের হলরুমে আলোচনা সভা ও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জিএম মেহেদী হাসান এবং পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন নোমান করিম আজহারী।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান যথাক্রমে দূতাবাসের শ্রম সচিব মো. জাকির হোসেন এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মাসুদ করিম চৌধুরী।
এসময় ঢাকা থেকে পাঠানো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ওপর দুটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও পারস্পরিক সম্প্রীতির ভিত্তিতে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, উদার, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
মিশরের আল-আজহারে উচ্চশিক্ষায় ২৪টি সরকারি বৃত্তি, আবেদন শুরু ৩ নভেম্বর
তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সমুন্নত রেখে জাতীয় স্বার্থ, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে মিশরে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য, দেশটির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, পেশাজীবী গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।