logo

ওমানে দূতাবাসের সহায়তায় ক্ষতিপূরণের অর্থ ফেরত পেল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসী

আরফাত উল্লাহ, ওমান

ওমানে দূতাবাসের সহায়তায় ক্ষতিপূরণের অর্থ ফেরত পেল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসী
মাস্কাটে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং শ্রম কাউন্সিলর মেজর রাফিউল ইসলাম (ইনসেটে ওপরে) ও ফারুক মিয়া (ইনসেটে নিচে)। ছবি: এশিয়া পোস্ট কোলাজ

২০২২ সালের ২৫ এপ্রিল ওমানের সালালায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন হবিগঞ্জের প্রবাসী ফারুক মিয়া। ওই দুর্ঘটনায় মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত পান তিনি। দুর্ঘটনার পর দূতাবাসে না গিয়ে দালালের খপ্পরে পড়ে ক্ষতিপূরণ আদায়ে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেন স্থানীয় এক আইনজীবিকে। এরপর তিনি দেশটিতে কিছুদিন চিকিৎসার পর বাংলাদেশে চলে যান ফারুক। এই সুযোগে ওই দালালচক্র আদালত থেকে ক্ষতিপূরণের পুরো অর্থ তুলে নিলেও ফারুক মিয়াকে একটি পয়সাও দেয়নি।

ফারুক মিয়া ক্ষতিপূরণের অর্থ দাবি করলে, উল্টো তাকে নানা ধরণের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল চক্রটি। পরে ফারুক মিয়ার পরিবার মাস্কাটে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শরণাপন্ন হন। অর্থ উদ্ধারে ফারুকের পক্ষ থেকে ২০২৪ সালের ৪ মার্চে দূতাবাসকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় অর্থ উদ্ধারে ওমানের আদালতে মামলা করে দূতাবাস।

মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসীদের সর্ববৃহৎ ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা উঠল ওমানে

দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ৯৫ হাজার ১৫৯ ওমানি রিয়াল বা, বাংলাদেশী মুদ্রায় ৩ কোটিরও অধিক টাকা দালালদের কাছ থেকে উদ্ধার করে বাংলাদেশ দূতাবাস মাস্কাট। সেই অর্থ দূতাবাসের ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়েছে। এমন খবরে উচ্ছ্বসিত ফারুক মিয়া ও তার পরিবার।

বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর মেজর রাফিউল ইসলাম জানান, গত ২৬ অক্টোবর (২০২৬) ৯৫ হাজার ১৫৯ ওমানি রিয়াল দূতাবাসের ব্যাংক হিসাবে জমা হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩ কোটি টাকারও বেশি।

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

মেজর রাফিউল ইসলাম আরও জানান, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর এ ধরণের একাধিক ঘটনায় গত তিন বছরে দূতাবাসের উদ্যোগে প্রায় ১০০ কোটি টাকা আদায় করে বিভিন্ন প্রবাসী বাংলাদেশির কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তিনি ওমান প্রবাসীদেরকে প্রতারক চক্র থেকে সাবধান থাকার আহবান জানান।