logo
Advertisement

মিশরে আন্তর্জাতিক মাওলিদ সেমিনার অনুষ্ঠিত

আফছার হোসাইন
আফছার হোসাইন,মিশর
মিশরে আন্তর্জাতিক মাওলিদ সেমিনার অনুষ্ঠিত
মিশরে আন্তর্জাতিক মাওলিদ সেমিনার। ছবি: এশিয়া পোস্ট

মিশরের রাজধানী কায়রোতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আত্মিক আবেগ ও রাসুলপ্রেমের আবহে অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাওলিদ সেমিনার. শামায়েলে মুহাম্মাদিয়্যাহ পাঠ, হিফজুল হাদিস প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

Advertisement

আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সুফি সংগঠন আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আহ বাংলাদেশ, মিশর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দরুদ ও সালামের ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে কায়রোর ত্বাকি স্কয়ারের নাদি আল-মিয়াহ কনফারেন্স সেন্টার।

সাইমুম আল-মাহদী আজহারী ও ওমাইর উদ্দিন ওমর আজহারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং রাসুল প্রেমে নিবেদিত আবেগঘন নাত পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আহ বাংলাদেশ, মিশর-এর সভাপতি সাইফুর রহমান আল-আজহারী। প্রধান অতিথি ছিলেন আমেরিকান মুসলিম অ্যালায়েন্সের প্রেসিডেন্ট শাইখ সাইফুল আজম বাবর আল-আজহারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে এবং ১ম সচিব মো. জাকির হোসাইন। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত আলেম ড. আবদেল ফাত্তাহ আল-আওয়ারি এবং প্রফেসর ড. সুবহি আবদেল ফাত্তাহ রাবি।

অনুষ্ঠানে ‘হিফজুল হাদিস’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় শিশু ও তরুণ শিক্ষার্থীরা। এতে প্রথম স্থান অর্জন করেন সাইফুল ইসলাম। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেন যথাক্রমে মইনউদ্দিন এবং ওবায়দুল্লাহ খান।

শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দুতাবাসের-

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কায়রোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম দে তাঁর বক্তব্যে বলেন, মিশরে অধ্যয়নরত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ ও প্রয়োজনের বিষয়টি দূতাবাস বিশেষভাবে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। তাদের যেকোনো সমস্যা, প্রয়োজন ও সংকটে দূতাবাসের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক ঐক্য, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত বলেন, ঐতিহ্যবাহী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে আসছেন। শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চায় এই গৌরবময় ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রেখে ভবিষ্যতেও তারা বাংলাদেশের সুনাম ও মর্যাদা আরও সমুন্নত করবেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।