logo

কুয়েতে মাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি নিহত

কুয়েতে মাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি নিহত

কুয়েতে মাইন বিস্ফোরণে চট্টগ্রামের আরও এক প্রবাসীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ভোরে কুয়েতের সলোনী মরুভূমি অঞ্চল থেকে মো. জাহেদ নামে ওই প্রবাসীর লাশ উদ্ধার করেন তার সহকর্মীরা।

জাহেদ সন্দ্বীপ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার বাবা কামাল দফাদার স্থানীয় রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত আছেন। জাহেদের পাঁচ বছর বয়সি একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

জাহেদের সহকর্মীদের বরাত দিয়ে তার চাচাত ভাই মেহেদী হাসান হৃদয় বলেন, জাহেদ সেখানে উট চরান। গতকাল বুধবার (৪ মার্চ) তিনি ও তার এক সহকর্মী উট চরাতে গিয়েছিলেন। দুজন দুদিকে যান। সন্ধ্যায় তার সহকর্মী ফিরে আসেন উট নিয়ে। জাহেদের উটও ফিরে আসে, কিন্তু জাহেদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে খোঁজাখুঁজি করে সেখানকার স্থানীয় সময় রাত ৩টার দিকে তার ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। জাহেদ মাইন বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কুয়েতের মরুভূমি অঞ্চলগুলোতে, বিশেষ করে সলোনী, আবদালি এবং ইরাক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় ১৯৯০-৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়কার প্রচুর অবিস্ফোরিত ল্যান্ডমাইন এবং অন্যান্য বিস্ফোরক রয়ে গেছে।

কুয়েতের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের মরুভূমি এবং সৈকত সংলগ্ন কিছু এলাকায় ল্যান্ডমাইন এখনও সক্রিয়। অনেক সময় বৃষ্টির ফলে মাটির নিচ থেকে এগুলো উপরে চলে আসে অথবা বালুর নিচে স্থান পরিবর্তন করে। মাঝে মধ্যে ওই এলাকায় এমন বিস্ফোরণ ঘটে। এই বিস্ফোরণগুলোতে সাধারণত উট বা ভেড়ার রাখালরা, যাদের বড় অংশ প্রবাসী এবং মরুভূমিতে ক্যাম্পিং করতে যাওয়া ব্যক্তিরা বেশি আক্রান্ত হন।

এর আগে গত রোববার বাহারাইনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আবুল মহসীন তারেক নামে সন্দ্বীপের একজন প্রবাসী নিহত হন। এর চার দিনের মাথায় আরও এক প্রবাসীর মৃত্যুর খবর পেল সন্দ্বীপ।