ওমানে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাংবাদিকদের মিট দ্য প্রেস

দূতাবাসে আসা সেবাপ্রত্যাশীদের কনস্যুলেট সেবা আরও সহজ করতে মিডিয়াকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্তকর্তারা। ওমানের প্রায় ৩ লাখ ৭ হাজার বর্গকিলোমিটারে আয়তনের নানা প্রান্ত থেকে আসা সেবাগ্রহীতা যাতে ভোগান্তিবিহীন সেবা গ্রহণ করতে পারেন। এ লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে নানা প্রদেক্ষেপ।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দেশটিতে বাংলাদেশি মিভিন্ন মিডিয়া কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের মিট দ্য প্রেসে ওঠে আসে বিভিন্ন সেবা ও প্রত্যাশার কথা।
কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার দূরাবাস মাস্কাট’ নামের অ্যাপে ঘরে বসে পাসপোর্ট রি-ইস্যুর আবেদন, এনওসি, পাসপোর্ট গ্রহণসহ যাবতীয় তথ্যাদি এখানে নিজের পছন্দ মতো তারিখ ও সময় নির্ধারণ করে দূতাবাসে আসার সুবিধে রয়েছে। এ ছাড়া সকল প্রকার সেবা ফি ক্যাশলেশ করে ব্যাংকিং চ্যানেলে আদায় করায় প্রবাসীদের ভোগান্তি শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে দূতাবাস।
ওমানে জীবিকার তাগিদে ৭ লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশির বসবাস করেন। এসব প্রবাসীদের পাসপোর্ট নবায়ন, এনওসি, সত্যায়িত ও দুর্ঘটনা বা স্বাভাবিক মৃত্যু হলে মরদেহ দেশে পাঠানোসহ নানা সেবা দিয়ে আসছে দূতাবাস। এ জন্য দেশটির নানা প্রান্ত থেকে সেবাপ্রত্যাশীদের আসতে হয় রাজধানী মাস্কাটে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে।
‘আমার দূতাবাস মাস্কাট’ অ্যাপে মধ্যস্বত্বভোগী এড়িয়ে চলে নিজের কাজ নিজেকে করার পরামর্শ দিয়েছেন দূতাবাসের চার্জ দ্য এফ্যার্স মাহমুদুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ওমানের শ্রম আইন অনুযায়ী প্রতিটি শ্রমিকের মৌলিক অধিকার নিয়োগকর্তা কর্তৃক প্রদান করার কথা রয়েছে। দেশ থেকে নতুন ভিসায় আসার সময় হেলথ ইনস্যুরেন্স বাধ্যতামূলক করে আসলেও ভিসা নবায়নের সময় হেলথ ইনস্যুরেন্স না করায় চিকিৎসাসেবা নিতে হিমশিম খেতে হয় প্রবাসীদের।
এখানে কোনো শ্রমিক অসুস্থ বা মৃত্যবরণ করলে তার যাবতীয় খরচ স্পন্সর বহন করার কথা থাকলে প্রবাসীরা এসব নিয়ম তোয়াক্কা না করার ফলে নানা জটিলতা সৃষ্টি হয়। তাই সবাইকে আইন মেনে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়।


