Advertisement

সৌদি-নির্ভর শ্রমবাজার, কমছে নারী শ্রমিক

• এক-তৃতীয়াংশ কর্মী যাচ্ছে সৌদি আরবে।

• বিদেশে কর্মী বাড়লেও রেমিট্যান্স বাড়ছে না।

• মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরের শ্রমবাজারে ধস।

• ২ বছরে নারী শ্রমিকের সংখ্যা ৪২ শতাংশ কমেছে।

• শ্রমবাজারে বৈচিত্র্য আনার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

সৌদি-নির্ভর শ্রমবাজার, কমছে নারী শ্রমিক
বিমানবন্দরে অপেক্ষারত নারীরা। ছবি: সংগৃহীত

বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য বাংলাদেশের প্রধান ভরসা এখনো মধ্যপ্রাচ্য, বিশেষ করে সৌদি আরব। গেল কয়েক বছরে প্রবাসী শ্রমিকের অর্ধেকের বেশি গেছে দেশটিতে। গত পাঁচ বছরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, করোনা মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। কিন্তু নতুন শ্রমবাজারে বৈচিত্র্য আসেনি।

Advertisement

এদিকে গত ৫ বছরে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ঘটেছে মালয়েশিয়ার বাজারে। একসময় দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্য হলেও ২০২৪ সালে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেখানে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া প্রায় বন্ধ।

গেল ৫ বছরের চিত্র

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ৬ লাখ ১৭ হাজার ২০৯ জন বাংলাদেশি বিদেশে চাকরি নিয়ে যান। এর মধ্যে সৌদি আরবেই যান ৪ লাখ ৫৭ হাজার ২২৭ জন। একই বছরে ওমানে ৫৫ হাজার ৯ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৯ হাজার ২০২, সিঙ্গাপুরে ২৭ হাজার ৮৭৫ এবং কাতারে ১১ হাজার ১৫৮ জন যান। করোনা-পরবর্তী পুনরুদ্ধারের বছর হওয়ায় ২০২১ সালের মোট কর্মীপ্রবাহ আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।

২০২২ সালে বিদেশে কর্মসংস্থানের সংখ্যা এক লাফে বেড়ে দাঁড়ায় ১১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৩ জনে। এর মধ্যে সৌদি আরব গিয়েছেন ৬ লাখ ১২ হাজার ৪১৮ জন যা মোট বিদেশগামী কর্মীর প্রায় ৫৪ শতাংশ। ওই বছরে ওমানে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১২, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১ লাখ ১ হাজার ৭৭৫, সিঙ্গাপুরে ৬৪ হাজার ৩৮৩ এবং মালয়েশিয়ায় ৫০ হাজার ৯০ জন কর্মী পৌঁছান। অর্থাৎ শুধু ছয়টি উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরব, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইন মিলিয়েই বাংলাদেশের শ্রমবাজারের বড় অংশ ধরে রাখে।

২০২৩ সালে বিদেশে কর্মসংস্থানে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর হিসাবে ১৩ লাখ ৫ হাজার ৪৫৩ জন বাংলাদেশি বিদেশে যান। সৌদি আরব ছিল সবচেয়ে বড় গন্তব্য। সংখ্যাটি ছিল ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭৪ জন। তবে ওই বছর মালয়েশিয়া আবারও বড় শ্রমবাজার হিসেবে সামনে আসে। দেশটিতে যান ৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৮৩ জন। ওমান ১ লাখ ২৭ হাজার ৮৮৩, সংযুক্ত আরব আমিরাত ৯৮ হাজার ৪২২ এবং সিঙ্গাপুর ৫৩ হাজার ২৬৫ জন বাংলাদেশি কর্মী নেয়। ফলে ২০২৩ সালে সৌদি আরবের পাশাপাশি মালয়েশিয়াও বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের বড় গন্তব্য হয়ে ওঠে। কিন্তু ২০২৪ সালে চিত্রটি নাটকীয়ভাবে বদলে যায়।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বছরটিতে প্রায় ১০ লাখ ১২ হাজার বাংলাদেশি বিদেশে যান। সৌদি আরব একাই নেয় ৬ লাখের বেশি কর্মী। মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়া কমে দাঁড়ায় প্রায় ৯৩ হাজার ৬৩২-তে। সিঙ্গাপুরে যান প্রায় ৫৬ হাজার ৮৭৮ জন। ওমানে নতুন কর্মী যাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সে বছর মাত্র ৩৫৮ জন নেয় দেশটি। মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে সংকটটি আরও স্পষ্ট। ২০২৩ সালে যেখানে ৩ লাখ ৫১ হাজারের বেশি বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন, ২০২৪ সালে তা নেমে আসে প্রায় ৯৩ হাজারে। ২০২৪ সালের মে মাসের পর নতুন কর্মী প্রবেশ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি হাজার হাজার বাংলাদেশি বৈধ ভিসা ও জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ছাড়পত্র পেয়েও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মালয়েশিয়ায় যেতে পারেননি।

২০২৫ সালে আবার সৌদি-নির্ভরতা আরও স্পষ্ট হয়েছে। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর মোট বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা ছিল ১১ লাখের কিছু বেশি। এসময়ে সৌদি আরবে ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭১৫ বাংলাদেশি কর্মী যান। যা মোট বিদেশগামী কর্মীর দুই-তৃতীয়াংশের কাছাকাছি। এছাড়া ২০২৫ সালে কাতারে যান ১ লাখ ৭ হাজার ৪৭২, কুয়েতে ৭২ হাজার ৭১৭ এবং সিঙ্গাপুরে ৭০ হাজার ৫৬ জন।

এক দেশের ওপর নির্ভরতার ঝুঁকি

বিশ্লেষকরা বলছেন, যেকোনো একটি দেশের ওপর নির্ভরতা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। ঐ দেশের ভিসা নীতি বা শ্রমবাজারে পরিবর্তন বাংলাদেশের লাখ লাখ কর্মীর ওপর তা সরাসরি প্রভাব ফেলবে। শ্রমবাজার সংশ্লিষ্টরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, মালয়েশিয়া ও বাহরাইনের বাজার পুনরুদ্ধার এবং ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে নতুন বাজার তৈরির ওপর জোর দিয়ে আসছেন।

ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচি ও ইউথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, ‘যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের গন্তব্যগুলোতে বিমান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার কারণে মার্চ মাস থেকেই অভিবাসন কমেই চলেছে। যুদ্ধজনিত অনিশ্চয়তা প্রধান প্রধান গন্তব্য দেশগুলোর বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যুদ্ধ যদি অব্যাহত থাকে, তবে এর প্রভাব সামনে আরও বাড়বে। তাই আমরা যদি বিকল্প কর্মসংস্থানের গন্তব্য তৈরি করতে না পারি, তবে রেমিট্যান্সে বড় প্রভাব পড়বে।’

এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকারও। ইতোমধ্যে থাইল্যান্ডের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রবেশ বিষয়ে দেশটির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী।

দেশটির বিভিন্ন খাতে কর্মী সংকট মোকাবিলায় পঞ্চম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে থাইল্যান্ড।

নিজ কার্যালয়ে থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমরা এমন একটি ব্যবস্থা চাই যেখানে নিয়োগের প্রাথমিক ব্যয় নিয়োগকর্তা বহন করবেন, স্থানীয় ভাষায় প্রমিত কর্মসংস্থান চুক্তি নিশ্চিত করা হবে এবং কর্মীদের কল্যাণ, ন্যায্য মজুরি, আবাসন ও চিকিৎসা বীমার জন্য কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকবে।’

এসময় নৈতিক ও দায়িত্বশীল শ্রমিক নিয়োগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, ‘থাইল্যান্ডের দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন আর বাংলাদেশের রয়েছে জনশক্তির অফুরন্ত ভান্ডার। এ সময় তিনি সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নেয়ার জন্য থাইল্যান্ডের প্রতি আহ্বান জানান।’

নারী শ্রমিকের চিত্র উদ্বেগজনক

পুরুষের তুলনায় নারী শ্রমিকের বিদেশযাত্রার প্রবণতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬৬ নারী চাকরির জন্য বিদেশে যান। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা কমে ৭৬ হাজার ১০৮ এবং ২০২৪ সালে আরও কমে ৬১ হাজার ১৫৮-এ দাঁড়ায়। অর্থাৎ মাত্র দুই বছরে নারী শ্রমিকের বিদেশযাত্রা কমেছে প্রায় ৪২ শতাংশ।

নারী শ্রমিকদেরও সবচেয়ে বড় গন্তব্য সৌদি আরব। ২০২২ সালে বিদেশগামী নারী শ্রমিকদের মধ্যে ৭০ হাজার ২৭৯ জন সৌদি আরবে যান। ২০২৩ সালে সৌদিমুখী নারী শ্রমিকের সংখ্যা কমে ৫০ হাজার ২৫৪ এবং ২০২৪ সালে ৪০ হাজার ৩১৫-এ নেমে আসে। একই সময়ে জর্ডান নারী শ্রমিকদের দ্বিতীয় বড় গন্তব্য হিসেবে উঠে আসে। ২০২৪ সালে দেশটিতে ১৩ হাজার ৭৭২ জন নারী বাংলাদেশি কর্মী যান।

নারী শ্রমিক কমে যাওয়ার পেছনে সৌদি আরবের নিয়োগ কমে যাওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা, নির্যাতন, প্রতারণা ও উপযুক্ত কর্মপরিবেশ না থাকার কথা জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের বড় অংশ গৃহকর্মে নিয়োজিত হওয়ায় তাদের কর্মক্ষেত্রও তুলনামূলকভাবে বিচ্ছিন্ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে নারী শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে শুধু সংখ্যা বাড়ানো নয়, নিরাপদ ও দক্ষ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাও বড় নীতিগত চ্যালেঞ্জ।

রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) গবেষক অধ্যাপক তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, ‘গৃহকর্মী হিসেবে যেসব দেশে নারীরা যায়, সেখানে তাদের রেসপেক্ট করে না। ফলে তাদের ওপর বিভিন্ন ধরনের অন্যায় নির্যাতন হয়। এ কারণে অনেকেই আর যেতে উৎসাহ বোধ করে না।’

শ্রমিক বাড়লেও সবক্ষেত্রে রেমিট্যান্স বাড়ে না

বিদেশে কর্মী পাঠানোর সংখ্যা ও রেমিট্যান্সের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক নেই তার বড় উদাহরণ সৌদি আরব। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব থেকে ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল প্রায় ৫.৭২ বিলিয়ন ডলার। পরের অর্থবছরে তা কমে প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ৩.৭৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।

অথচ একই সময়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা ২০২০ সালের ১ লাখ ৬১ হাজার থেকে ২০২১ সালে ৪ লাখ ৫৭ হাজার এবং ২০২২ সালে ৬ লাখ ১২ হাজারে উঠে যায়। অর্থাৎ সৌদিতে কর্মী প্রায় চার গুণ বাড়লেও রেমিট্যান্স কমেছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, কম বেতন, নিম্নদক্ষ কর্মসংস্থান এবং বৈধ চ্যানেলের বাইরে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা এর অন্যতম কারণ হতে পারে।

যদিও সাম্প্রতিক সময়ে চিত্র কিছুটা বদলেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, সৌদি আরব থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আসে ২.৭৪ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেড়ে ৪.২৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। অর্থাৎ এসময়ে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৫৬ শতাংশ।

এদিকে মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্স ১.৭৪ বিলিয়ন থেকে বেড়ে ২.৮০ বিলিয়ন ডলার এবং সিঙ্গাপুর থেকে ৬৩২ মিলিয়ন থেকে বেড়ে প্রায় ৯৮০ মিলিয়ন ডলার হয়। সব মিলিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ রেকর্ড ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে। এর আগের অর্থবছরে এসেছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার। ২০২৫ সালের ক্যালেন্ডার বছরে রেমিট্যান্স আরও বেড়ে প্রায় ৩২.৮২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।

বড় চ্যালেঞ্জ শ্রমবাজারের বৈচিত্র্য

গত পাঁচ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় বাংলাদেশের বিদেশে কর্মসংস্থান বছরে ১০ লাখ পেরিয়েছে কিন্তু শ্রমবাজারে বৈচিত্র্য আসেনি।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘এখন শুধু “কতজন শ্রমিক বিদেশে গেলেন” এই প্রশ্ন যথেষ্ট নয়। গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে কোথায় গেলেন, কী দক্ষতায় গেলেন, কত বেতন পেলেন এবং শেষ পর্যন্ত কত অর্থ বৈধ পথে দেশে পাঠালেন।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ যদি দক্ষ ও আধাদক্ষ কর্মীর সংখ্যা বাড়িয়ে ইউরোপ, পূর্ব এশিয়া এবং অন্যান্য উচ্চমজুরির বাজারে প্রবেশ করতে পারে, তাহলে একই সংখ্যক শ্রমিক থেকেও বেশি রেমিট্যান্স পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। অন্যথায় লাখ লাখ কর্মী বিদেশে গেলেও কম মজুরি ও সীমিত বাজারের ওপর নির্ভরতা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ঝুঁকির মধ্যেই রাখবে।