logo

স্থানীয় নির্বাচনের জন্য কতটা প্রস্তুত ইসলামি দলগুলো

স্থানীয় নির্বাচনের জন্য কতটা প্রস্তুত ইসলামি দলগুলো
কওমি ঘরনার ইসলামি সাত দলের লোগো। ছবি: এশিয়া পোস্ট গ্রাফিকস

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে কওমি ঘরনার কয়েকটি ইসলামি দল। কেউ কেউ ইতোমধ্যেই সিটি করপোরেশন ও উপজেলা পর্যায়ে কয়েকটি জায়গায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তাদের পক্ষে উঠান বৈঠক থেকে শুরু করে নানাভাবে প্রচার চালানো হচ্ছে। কোনো কোনো দলের এখনও প্রস্তুতিপর্বও শুরু হয়নি। কারও আবার এ নিয়ে মাথাব্যথাও নেই।

ভোট নিয়ে সরব ইসলামী আন্দোলন। সবকটি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে চায় দলটি। এরই মধ্যে ঢাকার দুই সিটিতে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী নভেম্বরের শেষ দিক বা ডিসেম্বরের শুরুতে সারা দেশে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণার কথা রয়েছে।

নির্বাচনে ৩০ জেলাকে ‘এ গ্রেড’ তালিকায় রেখেছে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। কিছু জায়গায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি। সামগ্রিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গঠন করা হয়েছে নির্বাচন পরিচালনা ও প্রস্তুতি কমিটি।

প্রাথমিকভাবে কয়েকটি জেলায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম। সব জেলা ও উপজেলায় নির্বাচন করতে আগ্রহী দলটি বর্তমানে প্রার্থী চূড়ান্তের কাজ করছে। এখনও প্রস্তুতি শুরু করেনি খেলাফত মজলিস। তপশিল ঘোষণার পর দলটি মাঠে নামতে পারে।

সীমিত পরিসরে প্রার্থী দেওয়ার কথা ভাবছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। ঢাকা দক্ষিণে দলের মহানগর আমির মাওলানা মুহাম্মদ হোসেন আকন্দকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। সারা দেশে ভোটে অংশ নিতে আগ্রহীদের কেন্দ্রে নাম জমা দিতে বলেছে দলটি। স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে তেমন পরিকল্পনা নেই নেজামে ইসলাম পার্টির। তবে কয়েকটি জায়গায় প্রার্থী দেওয়ার চিন্তা আছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

স্থানীয় সরকারের প্রতিটি নির্বাচনে অংশ নেবে ইসলামী আন্দোলন। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ করছে দলটি। কেন্দ্রে জমা পড়া আগ্রহী প্রার্থীদের নামের তালিকা ধরে সাক্ষাৎকার নেওয়া শুরু হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে নভেম্বরের শেষ দিকে বা ডিসেম্বরের শুরুতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। দলের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম নাম ঘোষণা করবেন।

ঢাকার দুই সিটিতে এরই মধ্যে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন। ঢাকা দক্ষিণে দলের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ আর উত্তরে ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদকে প্রার্থী করা হয়েছে। তারা ওয়ার্ডগুলোতে দলের কমিটি পুনর্গঠন, উঠান বৈঠকসহ নানা কর্মসূচি পালন করছেন।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সারা দেশে চেয়ারম্যান প্রার্থী দিতে চায় ইসলামী আন্দোলন। তবে ইউপি সদস্য পদে সব জায়গায় প্রার্থী দেওয়া হবে কি না, তা এখনও চূড়ান্ত নয়। পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ২৬৯ আসনে প্রার্থী দেয় ইসলামী আন্দোলন। এর মধ্যে মাত্র একটি আসনে জয় পায় দলটি। দলের নেতারা মনে করেন, ওই নির্বাচনে ভোটারদের কাছে টানার ক্ষেত্রে তাদের কিছু দুর্বলতা ছিল। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে চান তারা। তবে এক্ষেত্রে তাদের চ্যালেঞ্জ স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকা।

ইসলামী আন্দোলনের নেতারা বলছেন, তাদের দলের রাজনীতি ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়। ফলে দলীয় প্রতীকের বাইরে তাদের এখন আলাদা করে প্রার্থীকে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে। তবে এর সুফলও রয়েছে। স্থানীয় নির্বাচনে প্রতীক না থাকায় নির্বাচনটা সরাসরি সরকারের বিরুদ্ধে করতে হয় না। ইসলামী আন্দোলনের সহকারী মহাসচিব শেখ ফজলুল করীম মারুফ এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে নির্বাচন করা কঠিন। সরকারদলীয় প্রতীক ধানের শীষ না থাকায় আমরা বেশ আশাবাদী।’

কোনো জায়গায় ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী না থাকলে সেখানে দলীয় জনশক্তি কাকে ভোট দেবে? এমন প্রশ্নে শেখ ফজলুল করীম মারুফ জানান, বিষয়টি জোট হওয়া বা না হওয়ার ওপর নির্ভর করবে। তিনি এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘স্থানীয় নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা আছে আমাদের। পরিকল্পনা আছে। ইসলামী আন্দোলন যে দিন দিন ভালো করছে, তার একটা সাক্ষর স্থানীয় নির্বাচনে দেখা যাবে।’

বর্তমানে দেশে ইসলামী আন্দোলন থেকে নির্বাচিত কয়েকজন ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যান রয়েছেন। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এ সংখ্যা বাড়বে বলে প্রত্যাশা দলের নেতাদের।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সবগুলো সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও ইউনিয়নে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া ২৫ আসনসহ ৩০টি জেলাকে ‘এ গ্রেড’ তালিকায় রেখেছে দলটি। এর বাইরেও দলটির তালিকায় কিছু জেলা, উপজেলা রয়েছে। এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ও সিলেটসহ অধিকাংশ সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করেছে তারা।

দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইতোমধ্যেই স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনা ও প্রস্তুতি কমিটি করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। মাঠ গোছানো ও প্রার্থী বাছাইয়ে কাজ করছে এই কমিটি। তবে এর আগে স্থানীয় নির্বাচনে উল্লেখযোগ্যভাবে দলটির অংশ নেওয়ার নজির নেই।

১৯৮৯ সালের ৮ ডিসেম্বর রাজনীতিতে আসা দলটি নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকাকে সুবিধাজনক বিষয় হিসেবে দেখছে। নেতারা মনে করেন, দলীয় প্রতীক থাকলে ক্ষমতাসীন দল অসুবিধা তৈরি করে। তারা নিজ দলের প্রতীককে বিজয়ী করতে ‘ভুল পথ’ বেছে নেন।

প্রার্থী না থাকা জায়গাগুলোতে অন্যদের সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে স্থানীয়দের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে জানান দলের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। তিনি এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘আমরা খুব ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামছি। জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া আসনসহ আরও কিছু জেলা-উপজেলায় আমাদের প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন বলে আশা করছি। নির্বাচনের ঠিক আগে কোনো সমঝোতা হলে সেটিও বিবেচনা করা হবে।’

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম

জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে কাজ করছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের নেতাদের এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় নেতাদের পাঠানো সম্ভাব্য তালিকা যাচাই-বাছাই করে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করা হবে।

পটুয়াখালীর একাধিক উপজেলা ও কিশোরগঞ্জের কয়েকটি ইউনিয়নে ইতোমধ্যেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দিয়েছে জমিয়ত। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণায় আরও কিছুটা সময় নেবে দলটি।

বিগত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি জোটে থাকা জমিয়ত স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকাকে সুবিধা হিসেবে দেখছে। দলটির নেতাদের মতে, দলীয় প্রতীক থাকলে প্রার্থীকে চিনতে সুবিধা হয়। তবে সেক্ষেত্রে সরকারি দলের প্রভাব-বলয় থাকে। সেজন্য দলীয় প্রতীক না থাকাটা সুবিধাজনক।

যেসব জায়গায় দলীয় প্রার্থী থাকবে না, সেখানে বন্ধুপ্রতীম কোনো সংগঠনের সঙ্গে বোঝাপড়া হলে, তাদের পক্ষে কাজ করবে জমিয়ত। কারও সঙ্গে সমঝোতা বা জোট না হলে সৎ ও যোগ্যদের সমর্থন দেওয়া হবে।

জমিয়তের মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছে জমিয়ত। নানা সময়ে আমাদের একাধিক চেয়ারম্যান ছিলেন। এখনও একাধিক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রতিনিধিত্ব করছেন।’

মানুষের ভোটাধিকার সুরক্ষিত থাকলে জমিয়ত আশাব্যঞ্জক ফল পাবে বলে মনে করেন মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী। তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু ভোট হলে সন্তোষজনক ফল আসবে। যদি ভোটাধিকার সুরক্ষিত না থাকে এবং এটাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার কোনো রকম চেষ্টা করা হয়, তাহলে যেই লাউ সেই কদু।’

খেলাফত মজলিস

সাংগঠনিক সামর্থ্য অনুযায়ী স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী দেবে খেলাফত মজলিস। এখনও পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে তেমন প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। কোথাও কোনো প্রার্থীও ঘোষণা করা হয়নি। তপশিল ঘোষণার পর দলটি মাঠে নামবে বলে জানা গেছে।

আগামী নভেম্বরে নির্বাহী কমিটির ত্রৈমাসিক বৈঠকে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রার্থী বাছাইয়ে পরিচিত মুখের ওপর জোর দেওয়া হতে পারে।

২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত দলটি এ পর্যন্ত স্থানীয় নির্বাচনে মেয়র বা চেয়ারম্যান পদে জয়ী হতে পারেনি। তবে দুই একটি জায়গায় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘স্থানীয় নির্বাচনে সরকারি দলের প্রভাব বেশি থাকে। তারা সিটি করপোরেশনগুলো কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে চায় না। এগুলো মাথায় রেখেই কাজ করতে হবে। আর আমাদের প্রার্থী না থাকা জায়গাগুলোতে ভালো ও জনগণের কল্যাণকামী মানুষকে সমর্থন দেব।’

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন

নেতাকর্মীদের স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। আগ্রহী প্রার্থীদের কেন্দ্রে নাম জমা দিতে বলা হয়েছে। সেখান থেকে যাচাই করে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে। ঢাকা দক্ষিণে দলের মহানগর আমির মাওলানা মুহাম্মদ হোসেন আকন্দকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

১৯৮১ সালে মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জীর (হাফেজ্জী হুজুর রহ.) হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত দলটি এর আগে তৃণমূল পর্যায়ের নির্বাচনে খুব কমই অংশ নিয়েছে। ভোলার লালমোহনে দলের নেতা মাওলানা আব্দুর রহমান তালুকদার দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ছাড়া তাদের কোনো নেতাকর্মী স্থানীয় সরকারে ছিলেন না। তবে এবার ভালো নির্বাচনের প্রত্যাশায় আশাবাদী নেতাকর্মীরা।

দলের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘স্থানীয় নির্বাচনে ১১ দলের প্রত্যেকে নিজেদের ব্যানারে নির্বাচন করবে। সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। ফ্যাসিবাদী আমলে ইচ্ছা করেই নির্বাচন থেকে দূরে থেকেছি।’

স্থানীয় নির্বাচনে খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী না থাকা জায়গাগুলোতে জোটের প্রার্থীকে সমর্থন দেবে দলটি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে দেশপ্রেমিক, দ্বীনদার, নীতিবান ও যোগ্য প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে কিছু আসনে জয়লাভ করব।’

নেজামে ইসলাম পার্টি

স্থানীয় নির্বাচনে আগ্রহীদের মাঠ পর্যায়ে প্রচার চালানোর নির্দেশ দিয়েছে নেজামে ইসলাম পার্টি। ইউনিয়ন পর্যায়ে ইতোমধ্যেই অনেকে কাজ শুরু করেছেন। পরে কেন্দ্র থেকে যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।

দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন না হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে দলটি। নিজেদের প্রার্থী না থাকা জায়গাগুলোতে বন্ধুপ্রতীম দল বা সমঝোতার ভিত্তিতে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হবে। কারও সঙ্গে সমঝোতা নাহলে সৎ, দেশপ্রেমিক ও জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করা প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া হবে।

১৯৫২ সালে যাত্রা করা দলটি সব সিটি করপোরেশন, জেলা, উপজেলা বা ইউনিয়ন ইউনিয়ন পরিষদে প্রার্থী দেবে না। সক্ষমতা বিবেচনায় অল্প পরিসরে প্রার্থী দেওয়া হবে বলে জানান দলের মহাসচিব মুসা বিন ইজহার। তিনি এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে আমাদের ব্যাপক কোনো পরিকল্পনা নেই। পরবর্তী সংসদ নির্বাচন নিয়ে পরিকল্পনা আছে।’