Advertisement

যেখানে মনোযোগ দিতে চান নেইমার

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
যেখানে মনোযোগ দিতে চান নেইমার
ছবি : সংগৃহীত

সদ্য শেষ হওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিয়েছে। নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচে একমাত্র গোলটি করেন নেইমার জুনিয়র। এরপরই কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়েন ব্রাজিলের এই তারকা।

এরপরই অবসরের ইঙ্গিত দেন নেইমার। অনেকে অনেক হিসাব মেলালেও নেইমার তার সিদ্ধান্তেই অটুট, মানে জাতীয় দলে তার অধ্যায় শেষ হয়েছে। তবে ক্লাব ফুটবলেই মনোযোগ দিতে চান তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) কোপা সুদামেরিকানায় ভেনেজুয়েলার ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে সান্তোস। এরপর মিক্সড জোনো জাতীয় দলে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছেন নেইমার।

এ সময় ৩৪ বছর বয়সী নেইমার বলেন, ‘জাতীয় দলের সঙ্গে আমার পথচলা শেষ। আমি ইতিহাস গড়েছি, অনেক ভালো মুহূর্ত পেয়েছি। হলুদ জার্সির জন্য নিজের রক্ত, জীবন সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। কিন্তু এখন আর চালিয়ে যেতে চাই না।’

ফলে নিজের ক্লাব ক্যারিয়ারেই মনোযোগ দিতে চান নেইমার।

সৌদি ক্লাব আল হিলালের সঙ্গে পাট চুকিয়ে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে নেইমার যোগ দেন ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোসে। যদিও ২০০৯ সালে সান্তোসে তার ক্লাব ক্যারিয়ার শুরু। এখানে ২০১৩ পর্যন্ত ১৭৯ ম্যাচ খেলেন। পরে ২০১৩ সালে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনায় যোগ দেন। সেখানে বন্ধু লিওনেল মেসির সঙ্গে দুর্দান্ত সময় কাটান তিনি। পরে ২০১৭ সালে বার্সেলোনা ছেড়ে যোগ দেন প্যারিস সেন্ট-জার্মেইতে।

২০১০ সালে ১৮ বছর বয়সে জাতীয় দলে অভিষেক হয় নেইমার জুনিয়রের। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে তিনি মেটলাইফ স্টেডিয়ামে প্রথমবার ব্রাজিল সিনিয়র দলের হলুদ জার্সি গায়ে জড়ান। ব্রাজিলের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন শুধু তিনিই। ১৩০ ম্যাচে ৮০ গোল ও ৫৯ অ্যাসিস্ট করেন ব্রাজিলের এই জাদুকর। ২৬ বছরের ক্যারিয়ারে সেই মেটলাইফে জাতীয় দলের ইতি টানেন।

জাতীয় দলের হয়ে নেইমার একমাত্র শিরোপা জিতেছিলেন ২০১৩ সালের কনফেডারেশন্স কাপে। এ ছাড়া ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছিলেন স্বর্ণপদক। কিন্তু বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায় এই কিংবদন্তির।