শরিফুলের সাতের পরও লাঞ্চে বড় বিপদে বাংলাদেশ

শরিফুল ইসলামের সাত উইকেটে অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করেও স্বস্তি পেল না বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই আবারও মিচেল স্টার্কের ধাক্কা। দ্বিতীয় দিনের লাঞ্চে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩৯ রান। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখনো ১০৭ রানে পিছিয়ে সফরকারীরা।
অপরাজিত আছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। শান্ত ১৮ বলে ৫টি চারে করেছেন ২৩ রান। মুশফিকের সংগ্রহ ৬ বলে ৪ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে প্রথম ওভারেই তানজিদ হাসান তামিমের বাউন্ডারিতে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে তৃতীয় ওভারে পরপর দুই বলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আবার অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দেন স্টার্ক।
স্টার্কের বলে ব্যাটের মুখ আগেই বন্ধ করে ফেলেছিলেন সাদমান ইসলাম। লিডিং এজে মার্নাস লাবুশেনের হাতে ধরা পড়ে ফেরেন ১ রান করে। পরের বলেই আউট মুমিনুল হক। খেলবেন নাকি ছেড়ে দেবেন, সেই সিদ্ধান্ত নিতে না পারা মুমিনুলের অফ স্টাম্প ভেঙে দেন স্টার্ক। কোনো রান করতে পারেননি তিনি।
হ্যাটট্রিকের সামনে দাঁড়িয়ে পরের বলটি ছেড়ে দেন শান্ত। এরপর পাল্টা আক্রমণে স্টার্ককে কয়েকটি বাউন্ডারি মেরে চাপ কমানোর চেষ্টা করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
অন্য প্রান্তে ধৈর্য ধরে খেললেও প্যাট কামিন্সের বাউন্সারে ভুল করেন তানজিদ। নিয়ন্ত্রণহীন হুক করতে গিয়ে ফাইন লেগে স্টার্কের হাতে ধরা পড়েন তিনি। ৩৪ বল খেলে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৯ রান। বাংলাদেশ তখন ২৪ রানে হারিয়েছে তৃতীয় উইকেট।
শান্ত ও মুশফিক এরপর আর কোনো বিপদ হতে দেননি। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এসেছে ১৫ রান। লাঞ্চ পর্যন্ত স্টার্ক ৩৩ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। কামিন্সের শিকার একটি।
এর আগে ৮ উইকেটে ১৬৫ রান নিয়ে দিন শুরু করা অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ২১০ রানে। ক্যামেরন গ্রিনকে ৬৭ রানে এলবিডব্লিউ করে সপ্তম উইকেট পূর্ণ করেন শরিফুল। ১৫ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে ৭ উইকেট নিয়েছেন তিনি। শেষ ব্যাটার জশ হ্যাজলউডকে ফিরিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। নাথান লায়ন অপরাজিত ছিলেন ৩২ রানে।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৬৪ রানের জবাবে অস্ট্রেলিয়া পেয়েছে ১৪৬ রানের লিড। ইনিংস হার এড়াতেই তাই এখনো ১০৭ রান প্রয়োজন বাংলাদেশের, হাতে রয়েছে ৭ উইকেট।



