logo
Advertisement

মোসাদ্দেকের ব্যাটে লড়াকু পুঁজি বাংলাদেশের

মোসাদ্দেকের ব্যাটে লড়াকু পুঁজি বাংলাদেশের
মোসাদ্দেক হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

১৫ বছর পর বাংলাদেশে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার সামনে লড়াই করার মতো পুঁজি দাঁড় করাল বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮৪ রান করেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। জিততে হলে অস্ট্রেলিয়াকে করতে হবে ২৮৫ রান।

বাংলাদেশের ইনিংসের নায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। মিডল অর্ডারে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন তিনি। ৭০ বলে ৮৬ রানের ইনিংসে মেরেছেন ৭টি চার ও ৩টি ছক্কা। তাঁর ব্যাটেই মাঝের ধাক্কা সামলে শেষ দিকে গতি পায় বাংলাদেশের ইনিংস।

টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। ঘাসে ঢাকা মিরপুরের উইকেটে শুরুটা বাংলাদেশের জন্য সহজ ছিল না। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান সাইফ হাসান। নাথান এলিসের বলে মারনাস লাবুশেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৫ রানে আউট হন তিনি।

তবে দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত বাংলাদেশকে ভালো ভিত এনে দেন। দুজনের জুটিতে আসে ৯৬ রান। শুরুতে আক্রমণাত্মক ছিলেন তানজিদ। ৪৪ বলে ৫৪ রানের ইনিংসে তিনি মেরেছেন ৭টি চার ও ১টি ছক্কা। দলীয় ১০৬ রানে এলিসের বলে জেভিয়ার বার্টলেটের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

তানজিদের বিদায়ের পর দ্রুত লিটন দাসও ফিরে যান। ম্যাট রেনশর বলে নিজের কাছেই ক্যাচ দিয়ে ৭ রানে আউট হন তিনি। কিছুক্ষণ পর থামেন শান্তও। ৮৬ বলে ৬৭ রান করেন এই নির্ভরযোগ্য ব্যাটার। তাঁর ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ১টি ছক্কা। রেনশর বলেই কুপার কনোলির হাতে ক্যাচ দেন শান্ত।

১৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে তাওহিদ হৃদয়কে নিয়ে ইনিংস মেরামত করেন মোসাদ্দেক। পঞ্চম উইকেটে দুজন যোগ করেন ৭৫ রান। হৃদয় খুব দ্রুত রান তুলতে না পারলেও এক প্রান্ত ধরে রাখেন। ৫১ বলে ৩১ রান করে বার্টলেটের বলে এলিসের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।

হৃদয়ের বিদায়ের পর মিরাজও বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। লিয়াম স্কটের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ৩ রানে। বাংলাদেশের রিভিউও কাজে আসেনি। তানভীর ইসলাম ৫ রান করে এলিসের তৃতীয় শিকার হন। ৪৪.৩ ওভারে বাংলাদেশের রান তখন ২৩৯/৭।

সেখান থেকেই শেষের গল্পটা লেখেন মোসাদ্দেক। তাঁকে সঙ্গ দেন তাসকিন আহমেদ। অষ্টম উইকেটে দুজনের দ্রুত জুটিতে শেষ পাঁচ ওভারে বাংলাদেশ তোলে ৪৫ রান। তাসকিন ১৬ বলে ২০ রান করেন, ইনিংসের শেষ বলে স্কটের বলে আউট হন তিনি। অপর প্রান্তে মোসাদ্দেক অপরাজিত থেকে বাংলাদেশকে ২৮৪ রানে নিয়ে যান।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার নাথান এলিস। ১০ ওভারে ১ মেডেনসহ ৩৮ রানে নেন ৩ উইকেট। ম্যাট রেনশ ৩৫ রানে ২ উইকেট নেন। অভিষিক্ত লিয়াম স্কট ৮ ওভারে ৫৭ রানে ২ উইকেট পান। বার্টলেট নেন ১ উইকেট।