আইসিসি বোর্ড সভায় বাংলাদেশের পাশে শুধু পাকিস্তান

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বুধবার (২১ জানুয়ারি) গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল সভায় বসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সভায় ভোটাভুটিতে বাংলাদেশের অবস্থান কার্যত একঘরে হয়ে পড়ে। বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন আসে শুধু পাকিস্তান থেকে।
বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী এই সভায় ১৫টি পূর্ণ সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষে সভায় উপস্থিত ছিলেন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আইসিসির শীর্ষ নেতৃত্বের পাশাপাশি ভারত, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েসহ অন্যান্য দেশের বোর্ডপ্রধানরাও সভায় যুক্ত ছিলেন।
সভায় মূল আলোচ্য ছিল নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ যদি ভারতে গিয়ে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে করণীয় কী হবে। এই প্রশ্নেই শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটি হয়। সেখানে পাকিস্তান ছাড়া বাকি ১৪টি বোর্ড বিকল্প দল অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে মত দেয়।
অর্থাৎ, বাংলাদেশ টুর্নামেন্টে অংশ না নিলে তাদের জায়গায় অন্য একটি দল নেওয়ার বিষয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ বোর্ড সম্মত হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার আগে বিসিবিকে একদিন সময় দেওয়া হয়েছে। আইসিসি চায়, বাংলাদেশ সরকার ও বিসিবি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট করুক।
ক্রিকইনফোর বরাতে জানা গেছে, এই সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশকে জানাতে হবে তারা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতে খেলতে রাজি কি না। অন্যথায় বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
উল্লেখ্য, ভারতীয় ভেন্যুতে নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কা দেখিয়ে বাংলাদেশ আগেই আইসিসিকে জানায় যে, তারা ভারতে গিয়ে ম্যাচ খেলতে চায় না। এই অবস্থান থেকেই তৈরি হয়েছে বর্তমান অচলাবস্থা। এখন শেষ সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব—বিশেষ করে বাংলাদেশ।