পঞ্চম দিনে স্পিনারদের ওপর ভরসা লিটনের
-d3706a-720x405.webp)
জয়ের জন্য আফগানিস্তানের প্রয়োজন আরও ৩৪৭ রান, বাংলাদেশের সাত উইকেট। আবুধাবি টেস্টের শেষ দিনের আগে তাই সুবিধাজনক অবস্থানে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তবে চতুর্থ দিনে আফগানিস্তানের যে তিনটি উইকেট পড়েছে, সবই নিয়েছেন পেসাররা। শেষ দিনে স্পিনারদের কাছ থেকেও বাড়তি অবদানের আশা করছেন লিটন দাস। তার বিশ্বাস, উইকেটের ক্ষত তৈরি হওয়া জায়গাগুলো থেকে কিছুটা সহায়তা পেতে পারেন স্পিনাররা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষে উইকেটের আচরণ নিয়ে কথা বলেন বাংলাদেশের এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার মতে, উইকেট এখনো স্পিনারদের খুব বেশি সহায়তা করছে না। তবে পঞ্চম দিনে পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতে পারে।
লিটন বলেন, ‘উইকেটটা খুব একটা স্পিনবান্ধব নয়। তবে পঞ্চম দিনে অনেক সময় রাফ প্যাচ থেকে বল বাঁক নিতে শুরু করে। আশা করি, আমাদের স্পিনাররা আরও ভালো জায়গায় বল করে চাপ তৈরি করবে। উইকেট থেকে একটু সহায়তা পেলে তাদের কাজটা সহজ হবে।’
চতুর্থ দিনের খেলা শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩২ রান। ৪৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এখনো ৩৪৭ রান পিছিয়ে তারা। বাংলাদেশের হয়ে এবাদত হোসেন দুটি ও হাসান মাহমুদ একটি উইকেট নিয়েছেন। তবে সেদিকুল্লাহ আতাল ও হাশমতউল্লাহ শহীদি অপরাজিত থেকে দিনের খেলা শেষ করেছেন।
বাংলাদেশের একাদশে তিন স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম ও নাঈম হাসান। আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে এখনো কোনো উইকেট পাননি তারা। শেষ দিনে এই তিন স্পিনারের ওপরই বাড়তি প্রত্যাশা লিটনের।
এর আগে ব্যাট হাতে দারুণ সময় কাটিয়েছেন লিটন। প্রথম ইনিংসে ৫৩ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৭ বলে ১০২ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। তার সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরির পর ৭ উইকেটে ৩৭২ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।
ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উইকেটের পেছনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন লিটন। উইকেটরক্ষণের অভিজ্ঞতা ব্যাটিংয়ে কতটা সাহায্য করে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই সাহায্য করে। কারণ উইকেটের পেছনে থেকে আমি অনেক কিছু বুঝতে পারি। উইকেট সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়। সেটা আমার ব্যাটিংয়ে অনেক সাহায্য করে।’
তিন সংস্করণের ক্রিকেটই উপভোগ করেন লিটন। তবে টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি তার ভালোবাসা একটু বেশি। পাঁচ দিনের লড়াইয়ে প্রতিনিয়ত বদলে যাওয়া পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জই তার কাছে এই সংস্করণের বিশেষ আকর্ষণ।
লিটনের ভাষায়, ‘তিনটা সংস্করণই আমার ভালো লাগে। তবে টেস্ট ক্রিকেটের মর্যাদা একটু উপরে। কারণ এই ম্যাচে অনেক কিছু হয়। প্রথম দিন থেকে পঞ্চম দিন পর্যন্ত অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে। উপভোগ করার মতো অনেক পরিস্থিতি তৈরি হয়। তাই আমি টেস্ট ক্রিকেট পছন্দ করি।’
-537e79.webp)