সাত উইকেটেই ১৭ ধাপ লাফ শরিফুলের
-691a0c-720x405.webp)
ম্যাকাই টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতার মধ্যেও বল হাতে ইতিহাস গড়েছিলেন শরিফুল ইসলাম। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ের পুরস্কার এবার আইসিসি র্যাঙ্কিংয়েও পেলেন বাঁহাতি এই পেসার। এক লাফে এগিয়েছেন ১৭ ধাপ।
বুধবার ছেলেদের ক্রিকেটের সাপ্তাহিক র্যাঙ্কিং হালনাগাদ করেছে আইসিসি। টেস্ট বোলারদের তালিকায় শরিফুলের নতুন অবস্থান ৫৭তম। তার রেটিং পয়েন্ট এখন ৪০৩। অবস্থান ও রেটিং, দুটিই শরিফুলের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ।
ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র ইনিংসে ৪৮ রান দিয়ে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন শরিফুল। টেস্টে বাংলাদেশের কোনো পেসারের এটিই সেরা বোলিং। দেশের বাইরে বাংলাদেশের যেকোনো বোলারের সেরা ইনিংস বোলিংয়ের রেকর্ডও এখন তার দখলে।
শরিফুলের দুর্দান্ত বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ২১০ রানে থামিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে ব্যাটিং ব্যর্থতায় দুই ইনিংসে যথাক্রমে ৬৪ ও ৯৫ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ও ৫১ রানে হারে টাইগাররা। দুই ম্যাচের সিরিজ শেষ হয় ১-১ সমতায়।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে উন্নতি হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজেরও। এক ধাপ এগিয়ে তিনি এখন ২৩ নম্বরে। তবে বাকিদের বেশির ভাগই পিছিয়েছেন। দুই ধাপ নেমে তাইজুল ইসলামের অবস্থান এখন ১৩তম।
ডারউইন টেস্টে ৯ উইকেট নিয়ে ঐতিহাসিক জয়ের নায়ক হওয়া হাসান মাহমুদ ম্যাকাইতে সুবিধা করতে পারেননি। এর প্রভাব পড়েছে তার র্যাঙ্কিংয়ে। নয় ধাপ পিছিয়ে ৪৭তম স্থানে নেমেছেন ডানহাতি এই পেসার। তাসকিন আহমেদ দুই ধাপ পিছিয়ে ৫১তম এবং অস্ট্রেলিয়া সিরিজে না খেলা নাহিদ রানা দুই ধাপ নেমে ৬২তম স্থানে রয়েছেন।
বোলারদের তালিকার শীর্ষস্থানেও এসেছে পরিবর্তন। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাকে টেস্টে ১০ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারে প্রথমবার এক নম্বরে উঠেছেন অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক। তাঁর উত্থানে শীর্ষস্থান হারিয়ে দুইয়ে নেমেছেন ভারতের যশপ্রীত বুমরাহ।
ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের জন্য সুখবর এনেছেন মুশফিকুর রহিম। এক ধাপ এগিয়ে ১৭তম স্থানে উঠেছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। নাজমুল হোসেন শান্ত নিজের ২০তম অবস্থান ধরে রেখেছেন।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে টানা তিন ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়া লিটন কুমার দাস ছয় ধাপ পিছিয়ে ৩৪তম স্থানে নেমেছেন। পাঁচ ধাপ অবনতি হওয়া মুমিনুল হকের বর্তমান অবস্থান ৩৬তম।



