দাপুটে বোলিংয়ের পর পাকিস্তানের সামনে ১৪৮ রানের লক্ষ্য

কলম্বোতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বল হাতে দাপট দেখিয়েছে পাকিস্তান। সিনহালিজ স্পোর্টস ক্লাব (এসএসসি) মাঠে টস জিতে আগে বোলিং করা পাকিস্তান নেদারল্যান্ডসকে ১৯.৫ ওভারে ১৪৭ রানে অলআউট করে দেয়।
ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালোই ছিল ডাচদের। ওপেনার মাইকেল লেভিট ও ম্যাক্স ও’ডাউড নিয়মিত বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পাকিস্তানি বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করেন। তবে চতুর্থ ওভারেই প্রথম ধাক্কা দেয় পাকিস্তান। সালমান মির্জার বলে উইকেটরক্ষক উসমান খানের হাতে ক্যাচ তুলে ৭ বলে ৫ রান করে ফেরেন ও’ডাউড।
পরের ওভারেই মোহাম্মদ নওয়াজ ফিরিয়ে দেন আক্রমণাত্মক লেভিটকে। ১৫ বলে ২৪ রান করা এই ওপেনারকে বাউন্ডারির কাছে দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের মাধ্যমে সাজঘরে ফেরান বাবর আজম ও সাইম আইয়ুবের যৌথ প্রচেষ্টা। এরপর বাস ডে লিডে ও কলিন অ্যাকারম্যান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে দলকে পাওয়ারপ্লের মধ্যেই ৫০ পার করান।
অষ্টম ওভারে আবরার আহমেদের ঘূর্ণিতে ভাঙে সেই জুটি। ১৪ বলে ২০ রান করা অ্যাকারম্যানকে ফেরান এই লেগ স্পিনার। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে নেদারল্যান্ডস। দলীয় শতরান আসে ১৩তম ওভারে, কিন্তু ঠিক পরের ওভারেই ২৫ বলে ৩০ রান করা ডে লিডেকে আউট করে আবার চাপ বাড়ান নওয়াজ।
অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস ২৯ বলে ৩৭ রানের কার্যকর ইনিংস খেললেও তাকে বেশি সময় টিকতে দেননি আব্রার। এরপর সাইম আইয়ুব টানা দুই বলে লোগান ভ্যান বিক (০) ও জ্যাক লায়ন-ক্যাশেটকে (৯) ফিরিয়ে ডাচদের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে দেন। শাহিন শাহ আফ্রিদি আউট করেন রোলফ ভ্যান ডার মেরভেকে।
শেষ ওভারে সালমান মির্জা আবারও আঘাত হানেন। আরিয়ান দত্তকে ১৩ রানে ফিরিয়ে দিয়ে পরের বলেই পল ভ্যান মিকেরেনকে শূন্য রানে সাজঘরে পাঠিয়ে নেদারল্যান্ডসের ইনিংস গুটিয়ে দেন তিনি।
পাকিস্তানের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন সালমান মির্জা। ৩.৫ ওভারে ২৪ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। মোহাম্মদ নওয়াজ, আবারার আহমেদ ও সাইম আইয়ুব ২টি করে উইকেট শিকার করেন। একটি উইকেট নেন শাহিন আফ্রিদি।