logo

শরিফুলের ডেলিভারি দেখে উইকেট সম্পর্কে ধারণা পেয়েছি: নাথান স্মিথ

শরিফুলের ডেলিভারি দেখে উইকেট সম্পর্কে ধারণা পেয়েছি: নাথান স্মিথ

দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে মিরপুরের কন্ডিশন নিয়ে পরিষ্কার ধারণা দিলেন নিউজিল্যান্ডের পেসার নাথান স্মিথ। প্রি-ম্যাচ সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, উইকেটে ঘাস থাকলেও বাউন্স পুরোপুরি একরকম নয়, যা বোলারদের জন্য যেমন সুযোগ তৈরি করছে, তেমনি চ্যালেঞ্জও বাড়াচ্ছে।

প্রথম ম্যাচের অভিজ্ঞতা থেকেই উইকেট সম্পর্কে ধারণা পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। স্মিথ বলেন, ‘ব্যাটারদের কাছ থেকে প্রথম ইনিংসে যে ফিডব্যাক পেয়েছি, তাতেই বোঝা গেছে উইকেটে ভ্যারিয়েবল বাউন্স ছিল।’

তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন শরিফুল ইসলামের একটি ডেলিভারির কথা, ‘শরিফুলের প্রথম বলটাই নিচু হয়ে গিয়েছিল, কেলি প্রায় বোল্ড হয়ে যাচ্ছিল। তখনই বুঝেছি কোন লেংথে বল করতে হবে।’

সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা সাজিয়েছে কিউই বোলাররা। ‘আমরা ওই লেংথটাই ধরে রাখার চেষ্টা করেছি, স্টাম্পে বল রেখেছি যতটা সম্ভব, আর সেটাতেই সাফল্য এসেছে।’

স্মিথ আরও জানান, ম্যাচের মাঝামাঝি সময়ে উইকেটের আচরণ আরও ধীর হয়ে যায়। 
‘পরে দেখেছেন, স্লোয়ার বলগুলো উইকেটে এসে থেমে যাচ্ছিল। তাই কন্ডিশন অনুযায়ী পরিকল্পনা বদলাতে হয়েছে।’

তবে শুধু উইকেট নয়, মিরপুরের তীব্র গরমও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন এই পেসার। ‘এই গরমে প্রথমে বোলিং করা খুব কঠিন। শরীরের ওপর অনেক চাপ পড়ে।’

এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ভিন্ন পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। ‘পেসারদের ছোট স্পেলে ব্যবহার করতে হবে—দুই বা তিন ওভার করে। এরপর বিশ্রাম নিয়ে আবার ফিরে এসে বল করতে হবে।’

দলের সবাইকে এতে ভূমিকা রাখতে হবে বলেও মনে করেন স্মিথ।

‘এটা পুরো দলের কাজ। যারা খেলছে না, তারাও সাহায্য করবে। স্টাফরাও ড্রিংকস নিয়ে দৌড়াচ্ছে সবাই মিলে এটা সামলাতে হবে।’

সব মিলিয়ে, মিরপুরের কন্ডিশন যে সহজ নয়, তা স্পষ্টই জানিয়ে দিলেন এই কিউই পেসার। তবে প্রস্তুতি ঠিক থাকলে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব বলেই বিশ্বাস তার।