logo

আতালের শতকে জয়ের স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

আতালের শতকে জয়ের স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
সেদিকুল্লাহ আতাল। ছবি: আফগান ক্রিকেট বোর্ড

জয়ের জন্য আফগানিস্তানের সামনে ৪৭৯ রানের বিশাল লক্ষ্য রেখেছিল বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনের শেষেই তুলে নিয়েছিল তিন উইকেট। শেষ দিনে প্রয়োজন ছিল আর সাতটি। কিন্তু সেদিকুল্লাহ আতালের অসাধারণ ধৈর্যের সামনে বারবার থমকে গেছে বাংলাদেশের বোলাররা। শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তানের প্রতিরোধ ভাঙতে না পারায় ড্রয়ে শেষ হয়েছে আবুধাবির একমাত্র টেস্ট।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টেস্টের পঞ্চম দিনে জয়ের চেয়ে ম্যাচ বাঁচানোর দিকেই বেশি মনোযোগ ছিল আফগানিস্তানের। সেই পরিকল্পনায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন ওপেনার আতাল। ৩৩২ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ১১১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের জয়ের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান এই বাঁহাতি ব্যাটার।

আগের দিনের ৩ উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করে আফগানিস্তান। তখনো জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৪৭ রান। অন্যদিকে বাংলাদেশের দরকার সাত উইকেট। তবে দিনের শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের বোলারদের পরীক্ষা নিতে থাকেন আতাল।

সকালের সেশনে প্রথম সাফল্য আসে এবাদত হোসেনের হাত ধরে। ৩৩ রান করা ইকরাম আলিখিলকে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের ক্যাচ বানান তিনি। পঞ্চম উইকেটে আতালের সঙ্গে ৬৬ রানের জুটি গড়েছিলেন ইকরাম।

এরপর উইকেটে এসে আরও ধীরগতির ব্যাটিং করেন ইসমত আলম। আতালকে সঙ্গ দিতে ৬০ বল খেলে মাত্র ৪ রান করেন তিনি। তাঁদের জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইসমত।

এর মধ্যেই ধৈর্যের অসাধারণ পরীক্ষা দিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন আতাল। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৭ রান করা এই ওপেনার দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে হয়ে ওঠেন দুর্ভেদ্য বাধা।

চা-বিরতির আগে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পায় বাংলাদেশ। চোটের কারণে দিনের শুরুতে মাঠ ছাড়ার পর আবার ব্যাটিংয়ে ফিরেছিলেন হাশমতউল্লাহ শহীদি। কিন্তু ৩৬ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। এবাদতের বলে আউট হয়ে ফেরেন আফগান ব্যাটার।

পঞ্চম দিনের শেষ সেশনে ম্যাচের মোড় ঘোরানোর আরেকটি সুযোগ পায় বাংলাদেশ। দীর্ঘ সময় উইকেটে থাকা আতালকে ফিরিয়ে দেন তাইজুল ইসলাম। শর্ট লেগে তানজিদ হাসান তামিমের ক্যাচ হয়ে ফেরেন আফগান ওপেনার।

তখনো ম্যাচ জয়ের আশা বেঁচে ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আট নম্বরে নামা ইয়ামিন আহমদজাই ও কাইস আহমেদের প্রতিরোধে সেই কাজ কঠিন হয়ে পড়ে।

বিস্তারিত আসছে....