logo

এশিয়ান গেমস ব্যর্থতায় বিসিবিকে কাঠগড়ায় তুললেন সারোয়ার

এশিয়ান গেমস ব্যর্থতায় বিসিবিকে কাঠগড়ায় তুললেন সারোয়ার
বাংলাদেশ নারী দলের প্রধান কোচ সারোয়ার ইমরান। ছবি: সারোয়ার ইমরানের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট

এশিয়ান গেমসে পদক ধরে রাখতে না পারার পর দলের ব্যর্থতার পেছনে মাঠের বাইরের অস্থিরতাকেও দায়ী করলেন বাংলাদেশ নারী দলের প্রধান কোচ সারোয়ার ইমরান। টুর্নামেন্ট চলাকালে অধিনায়ক বদল ও নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা দলের ওপর প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন তিনি।

নাগোয়ায় ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ৩১ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যর্থ হয়ে গত আসরে জেতা ব্রোঞ্জও হারিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।

ম্যাচ শেষে সারোয়ার বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দলের পারফরম্যান্সে যে পতন দেখা যাচ্ছে, তার শুরু এশিয়া কাপ থেকেই। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কাছাকাছি ম্যাচে হারের পর থেকে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে পড়েছে দল। সেই চাপ এশিয়ান গেমসেও বয়ে বেড়াতে হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

এর মধ্যেই টি-টোয়েন্টি থেকে জ্যোতির অধিনায়কত্ব ছাড়ার খবর প্রকাশিত হয়। অক্টোবরে শেষ হতে যাওয়া সারোয়ারের চুক্তিও নবায়ন না হওয়ার আলোচনা সামনে আসে। টুর্নামেন্ট চলাকালে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কোচ।

সারোয়ার বলেন, ‘টুর্নামেন্ট চলাকালীন এটা হতে পারে না। আমরা একটা টুর্নামেন্ট খেলছি, হেড কোচ আর ক্যাপ্টেনদের আপনি সাইজ করে দিলেন, তো কীভাবে আপনি ভালো পারফরম্যান্স আশা করেন?’

শুধু মাঠের বাইরের অস্থিরতা নয়, বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের কাঠামোগত দুর্বলতার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি। অন্য দলগুলো যেখানে সহজে ছক্কা মারছে, সেখানে বাংলাদেশের ব্যাটাররা শক্তির ক্রিকেটে পিছিয়ে পড়ছেন বলে তার পর্যবেক্ষণ।

এর পেছনে খেলোয়াড় তৈরির সীমিত পরিসরকেও বড় কারণ হিসেবে দেখছেন সারোয়ার। তার ভাষায়, ‘নারী ক্রিকেট একটি জায়গায় আটকে রয়েছে। শ্রীলঙ্কায় নারী স্কুল ক্রিকেট চলছে, শত শত খেলোয়াড় খেলছে। আমাদের কিন্তু ও রকম স্ট্রাকচার নেই। নতুন খেলোয়াড় নেই, আমরা ৩০ জনের বেশি প্লেয়ার বের করতে পারি না যে ডাকব।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে হারের ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন সুপ্তা। তার মতে, ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করার মতোই ছিল। তবে টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় কাজ কঠিন হয়ে যায়।