টি-টোয়েন্টিতে আক্রমণাত্মক মানসিকতা চান লিটন
-1777189146-14170_1777189167.webp)
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশকে আরও আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে খেলতে হবে বলে মনে করেন অধিনায়ক লিটন দাস। তবে সেই পথে হাঁটলে ব্যর্থতার ঝুঁকিও থাকবে, সেটি মেনে নেওয়ার বার্তাই দিলেন তিনি।
চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অ্যাটাকিং ক্রিকেট খেলতে হবে। অ্যাটাকিং ক্রিকেট খেলতে গেলে দু-একটা উইকেট আগেও পড়বে। কখনও ব্যর্থ হবেন, কখনও সফল হবেন। এই ফরম্যাটে এটা মেনে নেওয়াই স্বাভাবিক।’
ব্যাটিং গভীরতা বাড়ানোকে বড় প্রয়োজন হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক। তার মতে, বড় দলগুলোর শক্তির জায়গা হলো নিচের দিক পর্যন্ত ব্যাট করার সামর্থ্য। বাংলাদেশও সেই জায়গায় এগোতে চায়।
লিটন বলেন, ‘বড় বড় টিমগুলোর ব্যাটিং ডেপথ অনেক। নয় নম্বর পর্যন্ত ব্যাটিং থাকে। ওই ডেপথটা যদি আমরা তৈরি করতে পারি, তাহলে আমাদের ব্যাটসম্যানরা আরও ফ্রি খেলতে পারবে।’
এই জায়গায় শেখ মেহেদী, নাসুম, রিশাদদের মতো স্পিনারদের কাছ থেকেও ব্যাট হাতে অবদান চান লিটন। পেস বোলিং অলরাউন্ডারদের নিয়েও তার আশা আছে। ‘আমাদের যে অলরাউন্ডাররা আছে, তারা বোলিংয়ের সঙ্গে ব্যাটিং দিতে পারলে একটা হেলদি ব্যাটিং অর্ডার তৈরি হবে,’ বলেন তিনি।
দলের ভারসাম্য নিয়েও সন্তুষ্ট অধিনায়ক। তার ভাষায়, ‘আমার কাছে মনে হয়, খুব ব্যালান্সড সাইড। ছয়জন জেনুইন ব্যাটসম্যান আছে। রিশাদ ও শেখ মেহেদী ব্যাটিং করতে পারে। পেসারদের মধ্যেও সাকিব আছে, সাইফুদ্দিন আছে, সাকলাইন নতুন এসেছে।’
পারভেজ হোসেন ইমনকে নিয়েও পরিকল্পনার কথা জানান লিটন। বিপিএলে মিডল অর্ডারে খেলা এই ব্যাটারকে আপাতত সেই জায়গাতেই ভাবা হচ্ছে। অধিনায়ক বলেন, ‘ইমনকে আপাতত মিডল অর্ডারে চিন্তা আছে।’
সব মিলিয়ে লিটনের বার্তা পরিষ্কার, টি-টোয়েন্টিতে নিরাপদ ক্রিকেট নয়, বরং সাহসী ক্রিকেটই হতে হবে বাংলাদেশের পথ।