logo

অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডোবাল পাকিস্তান

অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডোবাল পাকিস্তান

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে ১১১ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ পূর্ণ করেছে পাকিস্তান। ম্যাচে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে মোহাম্মদ নওয়াজ পাঁচ উইকেট তুলে নেন, যা অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপকে একপ্রকার ভেঙে দেয়।

আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২০৭ রানের বড় স্কোর তোলে পাকিস্তান। জবাবে শুরু থেকেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। নওয়াজের নেতৃত্বে পাকিস্তানি বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারীরা—১৬.৫ ওভারে মাত্র ৯৬ রানেই অলআউট হয়ে যায় তারা।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন মার্কাস স্টয়নিস। ক্যামেরন গ্রিন করেন ২২ রান, আর জশ ফিলিপ যোগ করেন ১৪। বাকিরা কেউই উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। দলে বড় ধাক্কা ছিল অভিজ্ঞ লেগস্পিনার অ্যাডাম জাম্পার অনুপস্থিতি; কুঁচকির চোটের কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি।

পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে ঝড় তোলেন মোহাম্মদ নওয়াজ। চার ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন এই অলরাউন্ডার। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন দুটি উইকেট, আর আবরার আহমেদ ও নাসিম শাহ একটি করে উইকেট ভাগ করে নেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আগা। শুরুটা ভালো না হলেও মাঝের ওভারে ইনিংস গুছিয়ে নেয় স্বাগতিকরা। সাইম আইয়ুব ৩৭ বলে ৫৬ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা। বাবর আজম অপরাজিত থাকেন ৩৬ বলে ৫০ রানে।

শেষ দিকে শাদাব খানের ঝড়ো ব্যাটিং পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহ এনে দেয়। তিনি মাত্র ১৯ বলে ৪৬ রান করেন, যার মধ্যে ছিল পাঁচটি ছক্কা। বাবরের সঙ্গে তার ৫৭ রানের জুটি পাকিস্তানের স্কোর ২০০–র ওপরে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে বেন ডোয়ারশুইস দুটি উইকেট নেন। এ ছাড়া ম্যাথিউ কুনেম্যান, ক্যামেরন গ্রিন, কুপার কনলি ও ম্যাথিউ শর্ট একটি করে উইকেট পান।

এই সিরিজটি ছিল দুই দলেরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি। দাপুটে পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে বিশ্বমঞ্চে নামার ইঙ্গিত দিল পাকিস্তান।