logo

১৫৬ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ বাংলাদেশের

সিলেটে চলছে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের দ্বিতীয় দিন। প্রথম দিনে লিটনের ২৭৮ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করছে পাকিস্তান।

মুমিনুল হক। ছবি: সংগৃহীত
১৭ মে ২০২৬, ০৬: ২২ পিএম
দিন শেষে বাংলাদেশের হাতে সিলেট টেস্টের নিয়ন্ত্রণ

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে। সকালে পাকিস্তানকে প্রথম ইনিংসে ২৩২ রানে অলআউট করে ৪৬ রানের লিড নেয় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দিনের শুরুতে তাসকিন আহমেদের জোড়া আঘাতে চাপে পড়ে পাকিস্তান। পরে মেহেদী হাসান মিরাজ, নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম নিয়মিত উইকেট তুলে সফরকারীদের বড় সংগ্রহের পথ বন্ধ করেন। বাবর আজম ৬৮ রানে একা লড়াই করলেও অন্যরা সেভাবে সঙ্গ দিতে পারেননি। শেষ দিকে সাজিদ খানের ২৮ বলে ৩৮ রানের পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান কিছুটা কমায় পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে নাহিদ ও তাইজুল ৩টি করে, তাসকিন ও মিরাজ ২টি করে উইকেট নেন।

দ্বিতীয় ইনিংসে দ্রুত তানজিদ হাসানকে হারালেও মাহমুদুল হাসান জয় আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন। ৬৪ বলে ১০ চারে ৫২ রান করেন তিনি। মুমিনুল হক ৩০ রান করে দিনের শেষ বলেই খুররম শাহজাদের বলে আউট হন। দিন শেষে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ১১০, লিড ১৫৬। উইকেটে এখনো বোলারদের সহায়তা থাকায় তৃতীয় দিনে বাংলাদেশের লক্ষ্য হবে লিড ৩০০ ছাড়ানো।

১৭ মে ২০২৬, ০৫: ৫০ পিএম
দিন শেষে বাংলাদেশ এগিয়ে ১৫৬ রানে

দ্বিতীয় দিন শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতেই। প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ৪৬ রানে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে আক্রমণাত্মক শুরু এনে দেন মাহমুদুল হাসান জয়। ফিফটি করেই তিনি ফিরলেও বাংলাদেশের লিড বাড়তে থাকে। তবে দিনের শেষ দিকে মুমিনুলের উইকেট পাকিস্তানকে সামান্য স্বস্তি দিয়েছে।

১৭ মে ২০২৬, ০৫: ৫০ পিএম
২৭তম ওভার: শেষ মুহূর্তে মুমিনুলের বিদায়

দিনের শেষ ওভারেই ধাক্কা খেল বাংলাদেশ। খুররম শাহজাদের ব্যাক অব আ লেংথ ডেলিভারি পিচ করে সামান্য বাইরে বেরিয়ে যায়। মুমিনুল হক সেটি সামলাতে গিয়ে ব্যাট ছোঁয়ান, পেছনে সহজ ক্যাচ নেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ৬০ বলে ৩ চারে ৩০ রান করে ফিরলেন মুমিনুল। দিনের শেষ বলেই উইকেট হারিয়ে কিছুটা হতাশ বাংলাদেশ।

১৭ মে ২০২৬, ০৫: ১২ পিএম
১৯তম ওভার: ফিফটির পরই জয়কে ফেরালেন আব্বাস

ফিফটি পূর্ণ করার পর বেশি দূর যেতে পারলেন না জয়। ১৮.২ ওভারে আব্বাসের লেংথ বল মারতে গিয়ে ঠিকমতো টাইম করতে পারেননি তিনি। ডিপে এগিয়ে এসে ডাইভ দিয়ে ক্যাচ নেন আব্দুল্লাহ ফজল। ৬৪ বলে ১০ চারে ৫২ রান করে ফেরেন জয়। বাংলাদেশ ৯১/২।

১৭ মে ২০২৬, ০৫: ১২ পিএম
১৭তম ওভার: আব্বাসকে চার মেরে জয়ের ফিফটি

দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে দারুণ ব্যাটিং করছেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। ১৬.৩ ওভারে মোহাম্মদ আব্বাসের প্যাডের ওপরের বল স্কয়ার লেগের দিক দিয়ে বাউন্ডারি মেরে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। ৫৮ বলে ১০ চারে অর্ধশতক ছুঁয়ে বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যান এই ওপেনার। ওভার শেষে বাংলাদেশ ৮৭/১।

১৭ মে ২০২৬, ০৪: ৪৮ পিএম
জয়-মুমিনুলের ৫০ রানের জুটি

তানজিদ হাসানের উইকেটের পর বাংলাদেশ দ্রুত চাপে পড়ে যেতে পারত। কিন্তু জয় ও মুমিনুল সেই চাপ সামলে পাল্টা রান তুলেছেন। বিশেষ করে জয় আক্রমণাত্মক ব্যাটিং উপহার দিচ্ছেন। সাজিদ খানকে পরপর দুই চার মেরে দলীয় ৫০ পার করানোর পাশাপাশি জুটিও দ্রুত বড় করেন তিনি। তাদের জুটিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে আবার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পথে।

১৭ মে ২০২৬, ০৪: ৪৮ পিএম
৯ম ওভার: সাজিদের প্রথম ওভারেই ৫০ পেরোল বাংলাদেশ

আক্রমণে এসেই চাপে পড়েন সাজিদ খান। তার প্রথম ওভারে ১১ রান তোলে বাংলাদেশ। মুমিনুল সিঙ্গেল নিয়ে স্ট্রাইক দেন জয়কে। এরপর ৮.৪ ও ৮.৫ ওভারে পরপর দুই চার মারেন জয়। দুটিই অফ সাইডে, কভারের ফাঁক গলে। দ্বিতীয় বাউন্ডারিতেই বাংলাদেশের দলীয় ৫০ পূর্ণ হয়। ওভার শেষে বাংলাদেশ ৫৩/১, জয় ৩৬ রানে।

১৭ মে ২০২৬, ০৪: ৪৮ পিএম
৭ম ওভার: হাসান আলীর ওভারে ৯ রান

তানজিদ হাসানকে দ্রুত হারানোর পর মাহমুদুল হাসান জয় ও মুমিনুল হকের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। হাসান আলীর প্রথম ওভার থেকেই আসে ৯ রান। ওভারের প্রথম বলে জয়ের প্যাড ছুঁয়ে বল ফাইন লেগ দিয়ে চার লেগ বাই হয়। পরের বলেই অফ স্টাম্পের বাইরে ফুলার লেংথ ডেলিভারিতে দারুণ ড্রাইভ খেলেন জয়, কভার ও মিড অফের মাঝ দিয়ে বাউন্ডারি। ওভার শেষে বাংলাদেশ ৩৫/১।

১৭ মে ২০২৬, ০৩: ৫৯ পিএম
৪র্থ ওভার: তানজিদকে ফিরিয়ে দিলেন খুররম

দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা খেল বাংলাদেশ। খুররম শাহজাদের লেংথ বল ভেতরে ঢুকছিল, অন সাইডে খেলতে গিয়ে ব্যাটের মুখ একটু আগেই বন্ধ করে ফেলেন তানজিদ হাসান। লিডিং এজ হয়ে বল যায় গালিতে, সহজ ক্যাচ নেন সৌদ শাকিল। ৭ বলে ৪ রান করে ফিরলেন অভিষিক্ত ওপেনার। বাংলাদেশ ১৫/১।

১৭ মে ২০২৬, ০৩: ৫৯ পিএম
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু

৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং শুরু করেছে বাংলাদেশ।

১৭ মে ২০২৬, ০৩: ২৭ পিএম
পাকিস্তান অলআউট ২৩২, বাংলাদেশের লিড ৪৬

শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের ইনিংস থামালেন নাহিদ রানা। ৫৭.৪ ওভারে সাজিদ খানকে ফেরান বাংলাদেশের এই পেসার। লেগ স্টাম্পের বাইরে শর্ট অব লেংথ বল অনুসরণ করে মারতে গিয়ে ব্যাটের মোটা কানায় থার্ড ম্যান অঞ্চলে ক্যাচ দেন সাজিদ। সামনে ঝাঁপিয়ে দুই হাতে দারুণ ক্যাচ নেন তানজিদ হাসান তামিম। ক্যাচটি পরিষ্কার কি না, তা দেখতে সিদ্ধান্ত যায় তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে। শেষ পর্যন্ত আউটের সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।

সাজিদ ২৮ বলে ৩৮ রান করেন, ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ৪টি ছক্কা। শেষ উইকেটে দ্রুত রান তুলে পাকিস্তানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রান যোগ করেন এই টেইলএন্ডার।

১৭ মে ২০২৬, ০৩: ২৭ পিএম
৫৭তম ওভার: তাইজুলকে টানা তিন ছক্কা সাজিদের

শেষ উইকেট জুটিতে পাকিস্তানকে মূল্যবান রান এনে দিচ্ছেন সাজিদ খান। ৫৬তম ওভারে তাইজুল ইসলামের ওপর চড়াও হন পাকিস্তানের এই টেলএন্ডার। ওভারের দ্বিতীয় বলে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে লং অনের ওপর দিয়ে বিশাল ছক্কা মারেন সাজিদ। পরের বলেও একই পরিকল্পনা এবার পুরো টাইমিং না হলেও লং অফে শরীফুলের লাফানো চেষ্টার ওপর দিয়ে বল সীমানা ছাড়ায়। তার পরের বলেও একই।

১৭ মে ২০২৬, ০২: ৫৯ পিএম
চা বিরতি: দ্বিতীয় সেশনটাও বাংলাদেশের

চা বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৫৫ ওভারে ৮ উইকেটে ২০৬ রান। দ্বিতীয় সেশনে পাকিস্তান তুলেছে ১১০ রান, তবে ৪ উইকেট হারানোয় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের দিকেই আছে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ এগিয়ে ৭২ রানে। বাংলাদেশের লক্ষ্য দ্রুত শেষ দুই উইকেট তুলে নিয়ে বড় লিড ধরে রাখা।

১৭ মে ২০২৬, ০২: ৫৯ পিএম
৫৪তম ওভার: গেলেন হাসান আলীও

হাসান আলী দ্রুত কিছু রান তুলে পাকিস্তানকে দুই শ পার করিয়েছিলেন। কিন্তু তিনিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তাইজুলের বলে লং অনে ক্যাচ দেন হাসান। নাহিদ রানা দুই বারের চেষ্টায় দারুণভাবে ক্যাচটি নেন। ১৮ রান করে ফেরেন হাসান। পাকিস্তানের স্কোর তখন ২০০/৮।

রাখা।

১৭ মে ২০২৬, ০২: ৩২ পিএম
৪৯তম ওভার: রিজওয়ানকে বোল্ড করলেন তাইজুল

বাংলাদেশের আরেক বড় সাফল্য। ৪৮.৪ ওভারে তাইজুল ইসলামের ড্রিফট করা গুড লেংথ বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে দেরি করে ফেলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে বল প্যাড ছুঁয়ে ভেঙে দেয় স্টাম্প। কিছুক্ষণ বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না রিজওয়ান। ২৭ বলে ১৩ রান করে ফিরলেন তিনি। পাকিস্তান নেমে গেল ১৭৪/৭-এ।

১৭ মে ২০২৬, ০২: ১৪ পিএম
৪৩তম ওভার: সালমানকে আউট করলেন তাইজুল

তাইজুল ইসলামের ওভারেই বড় ধাক্কা খায় পাকিস্তান। ওভারের দ্বিতীয় বলে সুইপ করতে যান সালমান আগা, কিন্তু টপ এজ হয়ে বল যায় ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে। মুমিনুল হক ডান দিকে সরে দারুণভাবে ক্যাচ নেন। ৫১ বলে ২১ রান করে ফেরেন সালমান। বাবরের পর আরেক সেট ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে পাকিস্তানের সংগ্রহ ১৫০/৬।

১৭ মে ২০২৬, ০১: ৪৮ পিএম
৪০তম ওভার: বাবর ফিরলেন নাহিদের বলে

বড় উইকেট পেল বাংলাদেশ। ফিফটির পর বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল বাবর আজমকে। কিন্তু নাহিদ রানাকে আক্রমণে ফিরিয়েই সাফল্য পেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৩৯.৪ ওভারে নাহিদের ফুল লেংথ বলে ফ্লিক করতে গিয়ে মিড অনে সহজ ক্যাচ দেন বাবর। মুশফিকুর রহিম ক্যাচটি নিতে ভুল করেননি। ৮৪ বলে ১০ চারে ৬৮ রান করে ফিরলেন পাকিস্তানের সেরা ব্যাটসম্যান। পাকিস্তান ১৪২/৫।

১৭ মে ২০২৬, ০১: ৪৮ পিএম
৩৯তম ওভার: বাবর-সালমান জুটিতে এগোচ্ছে পাকিস্তান

তাইজুল ইসলামের ওভারে ৫ রান নেয় পাকিস্তান। বাবর ৬৭, সালমান আগা ১৯ রানে পৌঁছে যান। বাংলাদেশ উইকেটের খোঁজে ছিল, কারণ এই জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে পাকিস্তানের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল।

১৭ মে ২০২৬, ০১: ৪৮ পিএম
৩৮তম ওভার: শরীফুলের ওভারে ৬ রান

শরীফুল ইসলামের ওভারে ৬ রান আসে। বাবর নিয়ন্ত্রিত পুলে সিঙ্গেল নেন, এর আগে ৩ রানও নেন ইনিংস এগিয়ে নিতে। সালমানও সিঙ্গেল নিয়ে তাঁকে সঙ্গ দেন। পাকিস্তান তখন ১৩৫/৪।

১৭ মে ২০২৬, ০১: ৪৮ পিএম
৩৭তম ওভার: বাবর-সালমানের ৫০ রানের জুটি

তাইজুলের বলে সালমান আগা সুইপ করে ২ রান নিতেই পঞ্চম উইকেটে বাবর-সালমানের ৫০ রানের জুটি পূর্ণ হয়। লাঞ্চের আগে ৪ উইকেট হারানো পাকিস্তানের জন্য এই জুটি ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ।

১৭ মে ২০২৬, ০১: ৪৮ পিএম
৩৬তম ওভার: বাবরের আরেক বাউন্ডারি

শরীফুলের শর্ট বল পেয়ে বাবর কাট করেন দারুণভাবে। গালির পাশ দিয়ে বল চলে যায় বাউন্ডারিতে। ফিফটির পরও ছন্দে ছিলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক। ওভার শেষে পাকিস্তান ১২৭/৪।

১৭ মে ২০২৬, ০১: ৪৮ পিএম
৩৩তম ওভার: ফিফটির পর তাইজুলকে চার বাবরের

ফিফটি পূর্ণ করার পর তাইজুলের শর্ট বল পেয়ে পুলে বাউন্ডারি মারেন বাবর। একই ওভারে সালমান আগাও স্লিপের পাশ দিয়ে দারুণ টাচে চার পান। ওভার থেকে আসে ৯ রান।

১৭ মে ২০২৬, ০১: ৪৬ পিএম
৩২তম ওভার: বাবরের ফিফটি

শরীফুল ইসলামের বলে বাউন্ডারি মেরে ফিফটি পূর্ণ করেন বাবর আজম। হাঁটুর চোটের কারণে মিরপুর টেস্টে খেলতে পারেননি তিনি। সিলেটে ফিরেই পাকিস্তানের ইনিংসে ভরসা দেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ৬৮ বলে ফিফটি করেন বাবর।