logo
Advertisement

রাজাউল্লাহর নয় ছক্কায় ইনিংস হার এড়াল পাকিস্তান

রাজাউল্লাহর নয় ছক্কায় ইনিংস হার এড়াল পাকিস্তান
৮১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন রাজাউল্লাহ। ছবি: গেটি ইমেজ

৩১৮ রানে আট উইকেট নেই। ইনিংস হার এড়াতেও তখন আরও দুই রান প্রয়োজন পাকিস্তানের। সেখান থেকে ইংল্যান্ডকে আবার ব্যাটিংয়ে নামানোর ব্যবস্থা করলেন অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ। মোহাম্মদ আব্বাসকে সঙ্গে নিয়ে তার পাল্টা আক্রমণে বদলে গেল এজবাস্টন টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষ বিকেল।

শুক্রবার দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪৯ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে ৩২০ রানে পিছিয়ে থাকা দলটি ইংল্যান্ডকে দিয়েছে ১৩০ রানের লক্ষ্য। পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হতেই দিনের খেলারও সমাপ্তি হয়। শনিবার চতুর্থ দিনে রান তাড়ায় নামবে স্বাগতিকেরা।

নয় নম্বরে নেমে ৬৩ বলে ৮১ রান করেছেন রাজাউল্লাহ। ২১ বছর বয়সী পেসারের ইনিংসে চারটি চারের সঙ্গে ছিল নয়টি ছক্কা। ইংলিশ বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে পাকিস্তানের জন্য লড়াই করার মতো কিছু রান এনে দেন তিনি।

অন্য প্রান্তে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন আব্বাস। ৬৭ বলে পাঁচ চার ও দুই ছক্কায় করেছেন ৪২ রান। নবম উইকেটে দুজনের ১২১ রানের জুটি ইংল্যান্ডের দ্রুত ম্যাচ শেষ করার আশায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আব্বাসকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন জশ টাং। এরপর ড্যান লরেন্সের বলে স্টাম্পিং হয়ে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন রাজাউল্লাহ।

নয় ছক্কায় একটি রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন পাকিস্তানের তরুণ পেসার। অভিষেক টেস্টের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডে ছুঁয়েছেন টিম সাউদিকে। নিউজিল্যান্ডের সাবেক পেসার ২০০৮ সালে নেপিয়ারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই নয়টি ছক্কা মেরেছিলেন।

এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরোধের ভিত গড়েন শান মাসুদ, বাবর আজম ও আজান আওয়াইস। আগের দিনের ৫২ রানে দুই উইকেট থেকে শুরু করে আওয়াইস ও মাসুদের তৃতীয় উইকেটের জুটি পৌঁছায় ১২৫ রানে। আওয়াইস ফেরেন ৫৯ রানে। মাসুদ সেঞ্চুরি থেকে পাঁচ রান দূরে থামেন, বাবর করেন ৭৬। তবে তাদের বিদায়ের পর আবার দ্রুত উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে পাকিস্তান।

সেই বিপদ সামলে দিনের শেষটা নিজের করে নেন রাজাউল্লাহ। জফরা আর্চারের মুখোমুখি হতে ভয় পেয়েছিলেন কি না, দিনের শেষে এমন প্রশ্নে তাঁর উত্তর, ‘ভয় পাইনি একটুও। দেশের হয়ে খেলতে নামলে ভয় পাওয়ার প্রশ্নই আসে না।’