logo

ফারহানের ঝলকে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

ফারহানের ঝলকে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে পাকিস্তান। কলম্বোর সিনহালিজ স্পোর্টস ক্লাব (এসএসসি) গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে ৩২ রানে হারিয়েছে তারা। ব্যাট হাতে সাহিবজাদা ফারহানের ঝলমলে অর্ধশতক এবং পরে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে সহজ জয় পায় পাকিস্তান।

১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৮ রানেই থামে যুক্তরাষ্ট্রের ইনিংস। শুরুটা মন্দ ছিল না তাদের। ওপেনার অ্যান্ড্রিস গাউস ও শায়ান দ্রুত গতিতে ৪২ রানের জুটি গড়েন। তবে মোহাম্মদ নওয়াজ গাউসকে ফেরালে রান তোলার গতি কমে যায়। এরপর অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেলও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি—শাদাব খানের বলে আউট হওয়ার আগে ১০ বলে করেন মাত্র ৩ রান।

একই ধারায় শাদাব পরের ওভারেই থামিয়ে দেন সেট ব্যাটার শায়ানকে। ৩৪ বলে ৪৯ রান করা এই ব্যাটারের বিদায়ে চাপে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র। মাঝখানে শুভম রঞ্জনে ও মিলিন্দ কুমার ৫৪ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও উসমান তারিক সেই জুটি ভাঙেন ১৬তম ওভারে। এরপর দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় যুক্তরাষ্ট্র। শেষ দিকে রঞ্জনে ২৯ বলে ৫১ রান করে লড়াই জিইয়ে রাখলেও জয় আর ধরা দেয়নি।

পাকিস্তানের হয়ে উসমান তারিক ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দেন। শাদাব খান নেন ২ উইকেট, আর নওয়াজ, আবরার আহমেদ ও শাহীন শাহ আফ্রিদি প্রত্যেকে একটি করে উইকেট শিকার করেন।

এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে চাপে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র। প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তোলে ১৯০ রান। ওপেনিং জুটিতে সাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুব দ্রুত ৫৪ রান যোগ করেন। তবে পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে শ্যাডলি ভ্যান শালকউইক পরপর দুই উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরায় যুক্তরাষ্ট্রকে।

এরপর ফারহানের সঙ্গে যোগ দেন বাবর আজম। তৃতীয় উইকেটে দুজন মিলে ৮১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ইনিংসের ভিত মজবুত করেন। বাবর ৩২ বলে ৪৬ রান করে আউট হলেও ফারহান ছিলেন দুর্দান্ত—৪১ বলে ৭৩ রান করেন তিনি, মারেন ৬ চার ও ৫ ছক্কা।

শেষ দিকে শাদাব খান ১২ বলে ৩০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তবে শেষ দুই ওভারে কয়েকটি দ্রুত উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহ থেকে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে পাকিস্তান।

যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে শ্যাডলি ভ্যান শালকউইক ছিলেন সবচেয়ে সফল বোলার। তিনি ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন। সৌরভ নেত্রাভালকার, মোহাম্মদ মহসিন ও হারমিত সিং একটি করে উইকেট শিকার করেন।