৭ রানে হেরে সিরিজ হাতছাড়া বাংলাদেশের
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৭ রানে হেরে সিরিজ হাতছাড়া হয়েছে বাংলাদেশের। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া করে ১৯৬ রান জবাবে বাংলাদেশ করে ১৮৯ রান।

চট্টগ্রামে লড়াই করেও হারল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার ১৯৬ রানের জবাবে বাংলাদেশ করেছে ৬ উইকেটে ১৮৯। ৭ রানের জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে রান তাড়ায় ভালো অবস্থানে ছিল স্বাগতিকরা। তবে মাঝের ওভারে সেট ব্যাটসম্যানদের বিদায় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। শেষ দিকে তাওহীদ হৃদয় লড়াই জমালেও বাংলাদেশকে জেতাতে পারেননি।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ম্যাট রেনশ। তাঁর অপরাজিত ৮৯ ও টিম ডেভিডের ৪৫ রানে ৫ উইকেটে ১৯৬ তোলে সফরকারীরা। বাংলাদেশ শুরুতে বল হাতে ভালো করলেও শেষ পর্যন্ত বড় লক্ষ্যটাই পার্থক্য গড়ে দিল।
চট্টগ্রামে লড়াই করেও হারল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার ১৯৬ রানের জবাবে বাংলাদেশ করেছে ৬ উইকেটে ১৮৯। ৭ রানের জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে রান তাড়ায় ভালো অবস্থানে ছিল স্বাগতিকরা। তবে মাঝের ওভারে সেট ব্যাটসম্যানদের বিদায় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। শেষ দিকে তাওহীদ হৃদয় লড়াই জমালেও বাংলাদেশকে জেতাতে পারেননি।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ম্যাট রেনশ। তাঁর অপরাজিত ৮৯ ও টিম ডেভিডের ৪৫ রানে ৫ উইকেটে ১৯৬ তোলে সফরকারীরা। বাংলাদেশ শুরুতে বল হাতে ভালো করলেও শেষ পর্যন্ত বড় লক্ষ্যটাই পার্থক্য গড়ে দিল।
শেষ পর্যন্ত আর পারল না বাংলাদেশ। শেষ বলে বড় শট খেলতে গিয়ে টিম ডেভিডের হাতে ক্যাচ দেন তাওহীদ হৃদয়। ২২ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
১৯৭ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ থামে ৬ উইকেটে ১৮৯ রানে। অস্ট্রেলিয়া জেতে ৭ রানে। শেষ ওভারে হৃদয়ের চেষ্টা ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনলেও জয়ের জন্য সেটি যথেষ্ট হয়নি।
শেষ পর্যন্ত আর পারল না বাংলাদেশ। শেষ বলে বড় শট খেলতে গিয়ে টিম ডেভিডের হাতে ক্যাচ দেন তাওহীদ হৃদয়। ২২ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
১৯৭ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ থামে ৬ উইকেটে ১৮৯ রানে। অস্ট্রেলিয়া জেতে ৭ রানে। শেষ ওভারে হৃদয়ের চেষ্টা ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনলেও জয়ের জন্য সেটি যথেষ্ট হয়নি।
শেষ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ২৩ রান। বল হাতে ছিলেন অ্যারন হার্ডি। শুরুতেই ওয়াইড ও সিঙ্গেলের পর চাপ আরও বেড়ে যায় বাংলাদেশের ওপর। তবে শেষ দিকে লড়াই জমিয়ে তোলেন তাওহীদ হৃদয়।
হার্ডির ফুল ডেলিভারি ডিপ কভারের ওপর দিয়ে ছক্কা মারেন হৃদয়। পরের বলে টপ এজ হয়ে চারও পেয়ে যায় বাংলাদেশ। শেষ দুই বলে দরকার ছিল ১২ রান, ম্যাচ তখনো পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।
শেষ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ২৩ রান। বল হাতে ছিলেন অ্যারন হার্ডি। শুরুতেই ওয়াইড ও সিঙ্গেলের পর চাপ আরও বেড়ে যায় বাংলাদেশের ওপর। তবে শেষ দিকে লড়াই জমিয়ে তোলেন তাওহীদ হৃদয়।
হার্ডির ফুল ডেলিভারি ডিপ কভারের ওপর দিয়ে ছক্কা মারেন হৃদয়। পরের বলে টপ এজ হয়ে চারও পেয়ে যায় বাংলাদেশ। শেষ দুই বলে দরকার ছিল ১২ রান, ম্যাচ তখনো পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।
গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আরেকটি ধাক্কা খেল বাংলাদেশ। নাথান এলিসের ওভারে বড় শট খেলতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন শামীম হোসেন। ৮ বলে ৭ রান করে ফেরেন তিনি।
শামীমের বিদায়ে বাংলাদেশের কাজ আরও কঠিন হয়ে গেছে। ১৬.৫ ওভার শেষে স্কোর ৫ উইকেটে ১৫৩। জয়ের জন্য এখনো দরকার ৪৪ রান, হাতে ১৯ বল।
হৃদয় এখনো উইকেটে আছেন, তবে শেষ দিকে বাংলাদেশের দরকার বড় ওভার। অস্ট্রেলিয়া আবার ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর সুযোগ পেয়ে গেছে।
গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আরেকটি ধাক্কা খেল বাংলাদেশ। নাথান এলিসের ওভারে বড় শট খেলতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন শামীম হোসেন। ৮ বলে ৭ রান করে ফেরেন তিনি।
শামীমের বিদায়ে বাংলাদেশের কাজ আরও কঠিন হয়ে গেছে। ১৬.৫ ওভার শেষে স্কোর ৫ উইকেটে ১৫৩। জয়ের জন্য এখনো দরকার ৪৪ রান, হাতে ১৯ বল।
হৃদয় এখনো উইকেটে আছেন, তবে শেষ দিকে বাংলাদেশের দরকার বড় ওভার। অস্ট্রেলিয়া আবার ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর সুযোগ পেয়ে গেছে।
ভালো অবস্থানে থেকেও পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গেছে বাংলাদেশ। ১৪তম ওভারে জোয়েল ডেভিসের বলে ফিরেছেন সাইফ হাসান।
ওয়াইড অফ স্টাম্পের বাইরে ফ্লাইটেড বল ইনসাইড-আউট খেলতে চেয়েছিলেন সাইফ। কিন্তু ঠিকমতো টাইম করতে পারেননি। কভারে সহজ ক্যাচ নেন মিচেল মার্শ। ৩৩ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪২ রান করে ফেরেন সাইফ।
ইমন ও সাইফ, দুই সেট ব্যাটসম্যানই ফিরেছেন। ১৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের দরকার ছিল ৩৬ বলে ৬১ রান।
ভালো অবস্থানে থেকেও পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গেছে বাংলাদেশ। ১৪তম ওভারে জোয়েল ডেভিসের বলে ফিরেছেন সাইফ হাসান।
ওয়াইড অফ স্টাম্পের বাইরে ফ্লাইটেড বল ইনসাইড-আউট খেলতে চেয়েছিলেন সাইফ। কিন্তু ঠিকমতো টাইম করতে পারেননি। কভারে সহজ ক্যাচ নেন মিচেল মার্শ। ৩৩ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪২ রান করে ফেরেন সাইফ।
ইমন ও সাইফ, দুই সেট ব্যাটসম্যানই ফিরেছেন। ১৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের দরকার ছিল ৩৬ বলে ৬১ রান।
দারুণ ব্যাটিং করতে থাকা পারভেজ হোসেন ইমনকে ফিরিয়ে ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু পেল অস্ট্রেলিয়া। ১৩তম ওভারে অ্যারন হার্ডির অফ কাটার তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন ইমন।
কভার অঞ্চলের ওপর দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। কিন্তু ঠিকমতো টাইম করতে পারেননি। পেছনে দৌড়ে গিয়ে ঠান্ডা মাথায় ক্যাচ নেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মিচেল মার্শ।
২২ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৬ রান করে ফিরেছেন ইমন। বড় লক্ষ্য তাড়ায় তাঁর ইনিংস বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে রেখেছিল, তবে এই উইকেটে ম্যাচে আবার চাপ বাড়ানোর সুযোগ পেল অস্ট্রেলিয়া।
দারুণ ব্যাটিং করতে থাকা পারভেজ হোসেন ইমনকে ফিরিয়ে ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু পেল অস্ট্রেলিয়া। ১৩তম ওভারে অ্যারন হার্ডির অফ কাটার তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন ইমন।
কভার অঞ্চলের ওপর দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। কিন্তু ঠিকমতো টাইম করতে পারেননি। পেছনে দৌড়ে গিয়ে ঠান্ডা মাথায় ক্যাচ নেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মিচেল মার্শ।
২২ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৬ রান করে ফিরেছেন ইমন। বড় লক্ষ্য তাড়ায় তাঁর ইনিংস বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে রেখেছিল, তবে এই উইকেটে ম্যাচে আবার চাপ বাড়ানোর সুযোগ পেল অস্ট্রেলিয়া।
সৌম্যর উইকেটের পর চাপ কমতে দেননি পারভেজ হোসেন ইমন। জাম্পার ওভারে টানা দুই ছক্কা মেরে ম্যাচের গতি আবার বাংলাদেশের দিকে টেনে আনেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। এরপর জোয়েল ডেভিসের ওভারেও লং অফের ওপর দিয়ে ছক্কা মারেন তিনি।
১১ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ২ উইকেটে ১১৬। জয়ের জন্য দরকার ৫৪ বলে ৮১ রান। সাইফ হাসান ৩৮ ও ইমন ২৬ রানে ব্যাট করছেন।
ম্যাচ এখন দারুণভাবে জমে উঠেছে। বাংলাদেশ রানরেটে এগিয়ে থাকলেও অস্ট্রেলিয়া মাঝের ওভারে উইকেট তুলে ম্যাচে চাপ তৈরি করতে চাইবে।
সৌম্যর উইকেটের পর চাপ কমতে দেননি পারভেজ হোসেন ইমন। জাম্পার ওভারে টানা দুই ছক্কা মেরে ম্যাচের গতি আবার বাংলাদেশের দিকে টেনে আনেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। এরপর জোয়েল ডেভিসের ওভারেও লং অফের ওপর দিয়ে ছক্কা মারেন তিনি।
১১ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ২ উইকেটে ১১৬। জয়ের জন্য দরকার ৫৪ বলে ৮১ রান। সাইফ হাসান ৩৮ ও ইমন ২৬ রানে ব্যাট করছেন।
ম্যাচ এখন দারুণভাবে জমে উঠেছে। বাংলাদেশ রানরেটে এগিয়ে থাকলেও অস্ট্রেলিয়া মাঝের ওভারে উইকেট তুলে ম্যাচে চাপ তৈরি করতে চাইবে।
ঝড়ো শুরুর পর দ্বিতীয় উইকেট হারাল বাংলাদেশ। সপ্তম ওভারে আক্রমণে এসেই সৌম্য সরকারকে ফিরিয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা।
মিডল স্টাম্পে ফুল ডেলিভারি পেয়ে লং অনের ওপর দিয়ে মারতে চেয়েছিলেন সৌম্য। কিন্তু ঠিকমতো ব্যাটে না লাগায় বল যায় অ্যারন হার্ডির হাতে। ৯ বলে ৩ চারে ১৫ রান করে ফেরেন সৌম্য।
৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ২ উইকেটে ৭৭। দ্রুত রান তাড়ায় এখনো এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা, তবে অস্ট্রেলিয়া এই উইকেটে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর সুযোগ পেয়েছে।
ঝড়ো শুরুর পর দ্বিতীয় উইকেট হারাল বাংলাদেশ। সপ্তম ওভারে আক্রমণে এসেই সৌম্য সরকারকে ফিরিয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা।
মিডল স্টাম্পে ফুল ডেলিভারি পেয়ে লং অনের ওপর দিয়ে মারতে চেয়েছিলেন সৌম্য। কিন্তু ঠিকমতো ব্যাটে না লাগায় বল যায় অ্যারন হার্ডির হাতে। ৯ বলে ৩ চারে ১৫ রান করে ফেরেন সৌম্য।
৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ২ উইকেটে ৭৭। দ্রুত রান তাড়ায় এখনো এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা, তবে অস্ট্রেলিয়া এই উইকেটে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর সুযোগ পেয়েছে।
১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়ায় দুর্দান্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ। ৫.৫ ওভার শেষে স্বাগতিকদের রান ১ উইকেটে ৭১। জয়ের জন্য এখন দরকার ৮৫ বলে ১২৬ রান।
তানজিদ হাসান শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন। ১৫ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৩০ রান করে ম্যাট রেনশর বলে কট অ্যান্ড বোল্ড হন তিনি। তবে তানজিদের ঝড়ো ইনিংসই রান তাড়ায় বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় গতি এনে দিয়েছে।
অন্য প্রান্তে সাইফ হাসান ১২ বলে ২০ ও সৌম্য সরকার ৮ বলে ১৫ রানে ব্যাট করছেন। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে খরুচে স্পেনসার জনসন, ২ ওভারে দিয়েছেন ৩৯ রান। সিরিজে টিকে থাকার লড়াইয়ে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ভালোভাবেই জবাব দিচ্ছে।
১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়ায় দুর্দান্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ। ৫.৫ ওভার শেষে স্বাগতিকদের রান ১ উইকেটে ৭১। জয়ের জন্য এখন দরকার ৮৫ বলে ১২৬ রান।
তানজিদ হাসান শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন। ১৫ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৩০ রান করে ম্যাট রেনশর বলে কট অ্যান্ড বোল্ড হন তিনি। তবে তানজিদের ঝড়ো ইনিংসই রান তাড়ায় বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় গতি এনে দিয়েছে।
অন্য প্রান্তে সাইফ হাসান ১২ বলে ২০ ও সৌম্য সরকার ৮ বলে ১৫ রানে ব্যাট করছেন। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে খরুচে স্পেনসার জনসন, ২ ওভারে দিয়েছেন ৩৯ রান। সিরিজে টিকে থাকার লড়াইয়ে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ভালোভাবেই জবাব দিচ্ছে।
চট্টগ্রামে বড় লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৯৭ রান।
শুরুটা অবশ্য ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। পাওয়ারপ্লেতে ৪৪ রানের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার ৩ উইকেট তুলে নেয় স্বাগতিকরা। ফিরেছিলেন জশ ইংলিস, কুপার কনোলি ও অধিনায়ক মিচেল মার্শ। কিন্তু এরপর ম্যাচের ছবি বদলে দেন ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড।
রেনশ ৫২ বলে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ৮৯ রানে অপরাজিত থাকেন। টিম ডেভিড করেন ২৬ বলে ৪৫ রান। দুজনের দ্রুতগতির জুটিতেই বড় সংগ্রহের ভিত পায় অস্ট্রেলিয়া। শেষদিকে জোয়েল ডেভিসও ৮ বলে অপরাজিত ১৩ রান যোগ করেন।
বাংলাদেশের হয়ে নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে ২৭ রানে ২ উইকেট নেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা, মোস্তাফিজুর রহমান ও আবদুল গাফফার সাকলাইন।
সিরিজে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশকে এখন ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে হবে।
চট্টগ্রামে বড় লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৯৭ রান।
শুরুটা অবশ্য ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। পাওয়ারপ্লেতে ৪৪ রানের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার ৩ উইকেট তুলে নেয় স্বাগতিকরা। ফিরেছিলেন জশ ইংলিস, কুপার কনোলি ও অধিনায়ক মিচেল মার্শ। কিন্তু এরপর ম্যাচের ছবি বদলে দেন ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড।
রেনশ ৫২ বলে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ৮৯ রানে অপরাজিত থাকেন। টিম ডেভিড করেন ২৬ বলে ৪৫ রান। দুজনের দ্রুতগতির জুটিতেই বড় সংগ্রহের ভিত পায় অস্ট্রেলিয়া। শেষদিকে জোয়েল ডেভিসও ৮ বলে অপরাজিত ১৩ রান যোগ করেন।
বাংলাদেশের হয়ে নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে ২৭ রানে ২ উইকেট নেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা, মোস্তাফিজুর রহমান ও আবদুল গাফফার সাকলাইন।
সিরিজে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশকে এখন ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে হবে।
অবশেষে বিপজ্জনক জুটি ভাঙল বাংলাদেশ। ১৫তম ওভারে টিম ডেভিডকে ফিরিয়েছেন আবদুল গাফফার সাকলাইন। ২৬ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৫ রান করে তানজিদ হাসানের ক্যাচে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান।
ম্যাট রেনশর সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে দ্রুত ৯৭ রানের জুটি গড়েছিলেন ডেভিড। এই জুটিতেই শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফেরায় অস্ট্রেলিয়া।
১৪.৪ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ৪ উইকেটে ১৪৩। রেনশ ৫৭ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের জন্য ডেভিডের উইকেট স্বস্তির হলেও শেষ ৫ ওভারে অস্ট্রেলিয়াকে থামানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
অবশেষে বিপজ্জনক জুটি ভাঙল বাংলাদেশ। ১৫তম ওভারে টিম ডেভিডকে ফিরিয়েছেন আবদুল গাফফার সাকলাইন। ২৬ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৫ রান করে তানজিদ হাসানের ক্যাচে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান।
ম্যাট রেনশর সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে দ্রুত ৯৭ রানের জুটি গড়েছিলেন ডেভিড। এই জুটিতেই শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফেরায় অস্ট্রেলিয়া।
১৪.৪ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ৪ উইকেটে ১৪৩। রেনশ ৫৭ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের জন্য ডেভিডের উইকেট স্বস্তির হলেও শেষ ৫ ওভারে অস্ট্রেলিয়াকে থামানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
৩১ রানে ২ উইকেট, পাওয়ারপ্লে শেষে ৪৪/৩—শুরুটা ভালোভাবেই সামলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এরপর ম্যাচের গতি বদলে দিয়েছেন ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড।
১৪ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ৩ উইকেটে ১৩৭। রেনশ ৩২ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত, তাঁর ইনিংসে আছে ২ চার ও ৪ ছক্কা। অন্য প্রান্তে টিম ডেভিড খেলছেন ২৪ বলে ৪২ রানে, মেরেছেন ১ চার ও ৩ ছক্কা।
চতুর্থ উইকেটে দ্রুত ৫০ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে চাপে ফেলেছেন দুজন। শেষ ৫ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬০ রান তুলেছে অস্ট্রেলিয়া।
৩১ রানে ২ উইকেট, পাওয়ারপ্লে শেষে ৪৪/৩—শুরুটা ভালোভাবেই সামলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এরপর ম্যাচের গতি বদলে দিয়েছেন ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড।
১৪ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ৩ উইকেটে ১৩৭। রেনশ ৩২ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত, তাঁর ইনিংসে আছে ২ চার ও ৪ ছক্কা। অন্য প্রান্তে টিম ডেভিড খেলছেন ২৪ বলে ৪২ রানে, মেরেছেন ১ চার ও ৩ ছক্কা।
চতুর্থ উইকেটে দ্রুত ৫০ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে চাপে ফেলেছেন দুজন। শেষ ৫ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬০ রান তুলেছে অস্ট্রেলিয়া।
ঝড়ো শুরুর পর দারুণভাবে ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ। ইংলিস ও কনোলির পর এবার ফিরেছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মিচেল মার্শও।
পাওয়ারপ্লের শেষ বলে মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার হন মার্শ। ১৯ বলে ৩ চারে ২০ রান করে সাইফ হাসানের ক্যাচে ফেরেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক। শুরুতে আক্রমণাত্মক থাকলেও পরে রান তোলার গতি কমে যায় তাঁর।
পাওয়ারপ্লে শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ছিল ৩ উইকেটে ৪৪। ৮ ওভার শেষে তারা ৩ উইকেটে ৬২।
ঝড়ো শুরুর পর দারুণভাবে ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ। ইংলিস ও কনোলির পর এবার ফিরেছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মিচেল মার্শও।
পাওয়ারপ্লের শেষ বলে মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার হন মার্শ। ১৯ বলে ৩ চারে ২০ রান করে সাইফ হাসানের ক্যাচে ফেরেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক। শুরুতে আক্রমণাত্মক থাকলেও পরে রান তোলার গতি কমে যায় তাঁর।
পাওয়ারপ্লে শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ছিল ৩ উইকেটে ৪৪। ৮ ওভার শেষে তারা ৩ উইকেটে ৬২।
ঝোড়ো শুরুর পর অস্ট্রেলিয়াকে ধাক্কা দিল বাংলাদেশ। ৩.৪ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ২ উইকেটে ৩৩।
প্রথম আঘাত আনেন নাসুম আহমেদ। ২.৪ ওভারে জশ ইংলিসকে এলবিডব্লিউ করেন তিনি। বাংলাদেশ রিভিউ নিলে আম্পায়ার্স কলের কারণে সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। ৬ বলে ১১ রান করে ফেরেন ইংলিস।
এরপর আক্রমণে এসে সাফল্য পান নাহিদ রানা। ৩.২ ওভারে কুপার কনোলিকে সাইফ হাসানের ক্যাচে ফিরিয়ে দেন তিনি। ৪ বলে ১ রান করে আউট হন কনোলি।
শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার রানরেট বেশ চড়া থাকলেও দ্রুত দুই উইকেট তুলে ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ।
ঝোড়ো শুরুর পর অস্ট্রেলিয়াকে ধাক্কা দিল বাংলাদেশ। ৩.৪ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ২ উইকেটে ৩৩।
প্রথম আঘাত আনেন নাসুম আহমেদ। ২.৪ ওভারে জশ ইংলিসকে এলবিডব্লিউ করেন তিনি। বাংলাদেশ রিভিউ নিলে আম্পায়ার্স কলের কারণে সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। ৬ বলে ১১ রান করে ফেরেন ইংলিস।
এরপর আক্রমণে এসে সাফল্য পান নাহিদ রানা। ৩.২ ওভারে কুপার কনোলিকে সাইফ হাসানের ক্যাচে ফিরিয়ে দেন তিনি। ৪ বলে ১ রান করে আউট হন কনোলি।
শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার রানরেট বেশ চড়া থাকলেও দ্রুত দুই উইকেট তুলে ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ।
চট্টগ্রামে ব্যাটিংয়ে নেমেই আক্রমণাত্মক শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া। ১.৪ ওভার শেষে তাদের রান বিনা উইকেটে ২৬। মিচেল মার্শ ও জশ ইংলিস দুজনই শুরু থেকেই বাউন্ডারি খুঁজছেন।
মার্শ ৬ বলে ১৩ ও ইংলিস ৫ বলে ১১ রানে ব্যাট করছেন। বাংলাদেশের বোলারদের শুরুটা বেশ খরুচে হয়েছে।
চট্টগ্রামে ব্যাটিংয়ে নেমেই আক্রমণাত্মক শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া। ১.৪ ওভার শেষে তাদের রান বিনা উইকেটে ২৬। মিচেল মার্শ ও জশ ইংলিস দুজনই শুরু থেকেই বাউন্ডারি খুঁজছেন।
মার্শ ৬ বলে ১৩ ও ইংলিস ৫ বলে ১১ রানে ব্যাট করছেন। বাংলাদেশের বোলারদের শুরুটা বেশ খরুচে হয়েছে।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে অস্ট্রেলিয়া। জেভিয়ার বার্টলেটের জায়গায় খেলছেন অ্যারন হার্ডি।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: মিচেল মার্শ, জশ ইংলিস, কুপার কনোলি, টিম ডেভিড, ম্যাট রেনশ, নিখিল চৌধুরী, জোয়েল ডেভিস, অ্যারন হার্ডি, নাথান এলিস, অ্যাডাম জাম্পা ও স্পেনসার জনসন।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে অস্ট্রেলিয়া। জেভিয়ার বার্টলেটের জায়গায় খেলছেন অ্যারন হার্ডি।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: মিচেল মার্শ, জশ ইংলিস, কুপার কনোলি, টিম ডেভিড, ম্যাট রেনশ, নিখিল চৌধুরী, জোয়েল ডেভিস, অ্যারন হার্ডি, নাথান এলিস, অ্যাডাম জাম্পা ও স্পেনসার জনসন।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ একাদশে এসেছে দুটি পরিবর্তন। শরিফুল ইসলাম ও শেখ মেহেদীর জায়গায় দলে ফিরেছেন নাহিদ রানা ও নাসুম আহমেদ।
নিয়মিত টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস এই ম্যাচেও নেই। বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাওহীদ হৃদয়। উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্বে আছেন পারভেজ হোসেন ইমন।
বাংলাদেশ একাদশ: সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন, নাসুম আহমেদ, আবদুল গাফফার সাকলাইন, শামীম হোসেন, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ একাদশে এসেছে দুটি পরিবর্তন। শরিফুল ইসলাম ও শেখ মেহেদীর জায়গায় দলে ফিরেছেন নাহিদ রানা ও নাসুম আহমেদ।
নিয়মিত টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস এই ম্যাচেও নেই। বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাওহীদ হৃদয়। উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্বে আছেন পারভেজ হোসেন ইমন।
বাংলাদেশ একাদশ: সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন, নাসুম আহমেদ, আবদুল গাফফার সাকলাইন, শামীম হোসেন, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।
সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে আগে ফিল্ডিংয়ে নামছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মিচেল মার্শ।
প্রথম ম্যাচে হেরে সিরিজে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। তাই আজ হারলেই সিরিজ হাতছাড়া হবে স্বাগতিকদের। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার সামনে সুযোগ এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করার।
সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে আগে ফিল্ডিংয়ে নামছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মিচেল মার্শ।
প্রথম ম্যাচে হেরে সিরিজে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। তাই আজ হারলেই সিরিজ হাতছাড়া হবে স্বাগতিকদের। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার সামনে সুযোগ এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করার।
.png)
