logo

চাপের মুহূর্তে আক্রমণই ছিল সেরা পথ: হৃদয়

চাপের মুহূর্তে আক্রমণই ছিল সেরা পথ: হৃদয়

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের জয়ের অন্যতম নায়ক তাওহীদ হৃদয় জানিয়েছেন, কঠিন সময়ে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলাই ছিল দলের জন্য সেরা সিদ্ধান্ত।

চট্টগ্রামে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। জবাবে বাংলাদেশ ১৮ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৩ রান তুলে ৬ উইকেটের জয় পায় এবং সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

লিটন দাস আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে নামেন হৃদয়। তখন ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিজের পরিকল্পনা পরিষ্কার ছিল বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘ওই সিচুয়েশনে রান দরকার ছিল, একটু রান কম হয়ে গিয়েছিল। আমার প্ল্যান ছিল যে আমি অ্যাটাক করব, কারণ ওখানে যদি অ্যাটাক না করতে পারি তাহলে হয়তোবা টাফ হয়ে যেত টিমের জন্য।’

টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচের গতি দ্রুত বদলে যায় বলেও মনে করেন হৃদয়।

তার ভাষায়, ‘দুই ওভারের গেম… দুই ওভার যদি আমরা ভালো ব্যাটিং করি বা ভালো বলিং করি, দুই-তিনটা উইকেট নেই, সবসময় টি-টোয়েন্টি খেলা একবার এদিক-ওদিক যায়।’

চতুর্থ উইকেটে পারভেজ হোসেন ইমনের সঙ্গে তার জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ইমন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন, যা নিজের কাজ সহজ করেছে বলে জানান হৃদয়।

তিনি বলেন, ‘ইমন যে সময়টা অ্যাটাক করেছে, ওইটা আমার জন্য আরো ইজি করে দিয়েছে… তখন আমার কাছে মনে হয়েছে খেলাটা অনেক হাতে এসেছে।’

শামীমের ব্যাটিং নিয়েও আলাদা করে প্রশংসা করেন হৃদয়। তার মতে, শামীম এমন কিছু শট খেলতে পারেন, যা বাংলাদেশের খুব বেশি ব্যাটারের হাতে নেই। ছয় নম্বরের মতো পজিশনে এমন ব্যাটার দরকার, যিনি মাঠের সবদিকে মারতে পারেন এবং বোলারদের চাপে ফেলতে পারেন।

হৃদয় নিজে ২৭ বলে অপরাজিত ৫১ রান করেন। তবে নিজের ইনিংসের চেয়ে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন ম্যাচের পরিস্থিতি ও দলের চাহিদাকে। তার মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশি রক্ষণাত্মক হয়ে থাকলে কাজ হয় না; অনেক সময় আক্রমণই সেরা রক্ষণের পথ।