অজিদের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতক হাঁকালেন তানজিদ
-00337c.webp)
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ২৩ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটালেন তানজিদ হাসান তামিম। স্বাগতিকদের বিশ্বমানের বোলিং আক্রমণ সামলে তুলে নিলেন নিজের প্রথম টেস্ট শতক। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় টেস্টের তিন অঙ্ক ছুঁলেন বাঁহাতি এই ওপেনার।
ইনিংসের ৬৪ তম ওভারে নাথান লায়নেরে এর বলে শতক পূর্ণ করেন তানজিদ। ১৮৮ বলে পাওয়া তার শতকে ছিল ৮ টি চার ও ১ টি ছক্কা। নিজের মাত্র দ্বিতীয় টেস্টেই স্মরণীয় এই অর্জন ধরা দিল ২৫ বছর বয়সী ব্যাটারের হাতে।
তানজিদ শতক পূর্ণ করার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬৪ ওভারে ২ উইকেটে ২৩০ রান। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের ১৯৮ রান পেরিয়ে তখন সফরকারীদের লিড ৩২ রানের।
প্রথম দিনের শেষেই বড় ইনিংসের ভিত গড়ে রেখেছিলেন তানজিদ। অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর বাংলাদেশ দিন শেষ করেছিল ১ উইকেটে ৯৬ রান নিয়ে। তানজিদ অপরাজিত ছিলেন ৩২ রানে। দ্বিতীয় দিনের শুরুতে মুমিনুল হককে সঙ্গে নিয়ে ধৈর্য ও নিয়ন্ত্রণের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি।
দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুলের সঙ্গে ১০২ রান যোগ করেন তানজিদ। জশ হ্যাজলউডের বলে ৪৯ রানে মুমিনুল ফিরলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন তরুণ ওপেনার। নিজের প্রথম টেস্ট ফিফটি তুলে নেওয়ার পর ধীরে ধীরে শটের পরিধিও বাড়ান তিনি।
৬৩ রানে অ্যালেক্স ক্যারি ও স্টিভেন স্মিথের মাঝের একটি কঠিন সুযোগ থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন তানজিদ। সেই মুহূর্তের পর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও হ্যাজলউডের গতি সামলানোর পাশাপাশি নাথান লায়নের স্পিনের বিপক্ষেও ছিলেন আত্মবিশ্বাসী। ভালো বলকে সম্মান করেছেন, সুযোগ পেলেই আদায় করেছেন রান।
এই শতকের পথে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত টেস্ট ইনিংসের রেকর্ডও নিজের করে নেন তানজিদ। আগের রেকর্ডটি ছিল হান্নান সরকারের। ২০০৩ সালের কেয়ার্নস টেস্টে তিনি করেছিলেন ৭৬ রান।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে শতক পাওয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশিও তানজিদ। ২০০৬ সালে ফতুল্লায় ১৩৮ রান করেছিলেন শাহরিয়ার নাফীস। দুই দশক পর তার পাশে নাম লেখালেন তানজিদ, তবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তিনিই বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান।



