logo

নেপালের লড়াই থামিয়ে জয়ে বিশ্বকাপ শুরু ইংল্যান্ডের

নেপালের লড়াই থামিয়ে জয়ে বিশ্বকাপ শুরু ইংল্যান্ডের

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ম্যাচে শেষ পর্যন্ত নেপালকে ৪ রানে হারিয়ে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অভিযান জয় দিয়ে শুরু করেছে ইংল্যান্ড। রোববার (৮ জানুয়ারি) মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ১৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নেপাল থামে ১৮১ রানে।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ ছিল নেপালের। ওপেনার কুশল ভুর্তেল ও উইকেটরক্ষক আসিফ শেখ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন। ৩৭ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন লিয়াম ডসন, ৯ বলে ৭ রান করা আসিফকে ফেরান তিনি। পাওয়ারপ্লের শেষদিকে ১৭ বলে ২৯ রান করা ভুর্তেলও আউট হলে ৫.২ ওভারে নেপালের স্কোর দাঁড়ায় ৪২/২।

এরপর অধিনায়ক রোহিত পাউডেল ও দীপেন্দ্র সিং আইরি ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন। তৃতীয় উইকেটে তাদের ৫০ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে নেপাল। আইরি ছিলেন বেশ আক্রমণাত্মক, ইংলিশ বোলারদের বিপক্ষে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকাচ্ছিলেন। তবে ২৯ বলে ৪৪ রান করে স্যাম কারানের শিকার হলে ভাঙে ৮২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ৩৪ বলে ৩৯ রান করা পাউডেলও ডসনের বলে বিদায় নিলে চাপে পড়ে নেপাল।

মাঝের দিকে আরিফ শেখ দ্রুত ১০ রান করে আউট হন। তবে শেষদিকে লোকেশ বাম দুই ছক্কায় ম্যাচ জমিয়ে তোলেন। শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ২৪ রান। ১৯তম ওভারে মার্ক উড ১৪ রান দিলেও গুলশন ঝাকে ফিরিয়ে দেন। শেষ ওভারে ১০ রান প্রয়োজন থাকলেও স্যাম কারানের নিয়ন্ত্রিত বোলিং সেই ওভারে ৫ রান দিলে সেখানেই থামে নেপালের ইনিংস। ২০ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংসে নেপালের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন লোকেশ বাম।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। ওপেনার ফিল সল্ট ২ বলেই ১ রান করে আউট হন। এরপর জস বাটলার ও জ্যাকব বেথেল দ্রুত রান তুলে দলকে এগিয়ে নেন। তবে ১৭ বলে ২৬ রান করা বাটলারকে ফিরিয়ে দেন নন্দন যাদব। কিছুক্ষণ পর টম ব্যান্টনও বিদায় নিলে চাপে পড়ে ইংল্যান্ড।

এই অবস্থায় বেথেল ও অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক দায়িত্ব নেন। দুজনের ৭১ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড। বেথেল ৩৫ বলে ৫৫ রান করে আউট হন। পরে ব্রুকও দারুণ ব্যাটিং করে ৩২ বলে ৫৩ রান করেন। শেষদিকে উইল জ্যাকস ১৮ বলে অপরাজিত ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল চারটি ছক্কা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৪ রান তোলে ইংল্যান্ড।

নেপালের বোলারদের মধ্যে দীপেন্দ্র সিং আইরি দুটি উইকেট নেন। ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে কার্যকর ছিলেন লিয়াম ডসন ও স্যাম কারান, যাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংই শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দেয়।