logo
Advertisement

তৃতীয় দিনের লড়াইয়ের পরও ইংল্যান্ডের কাছে ধবলধোলাই পাকিস্তান

তৃতীয় দিনের লড়াইয়ের পরও ইংল্যান্ডের কাছে ধবলধোলাই পাকিস্তান
রুট-কক্স মিলে ইংলিশদের জয় নিশ্চিত করে। ছবি: গেটি ইমেজ

তৃতীয় দিনে রাজাউল্লাহ-আব্বাসের বীরত্বের পর চতুর্থ দিনের প্রথম ওভারেই দুই ইংলিশ ওপেনারের বিদায়। মাত্র ১৩০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমেও শুরুতে ধাক্কা খেয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে জো রুট ও জর্ডান কক্স আর কোনো সুযোগ দেননি পাকিস্তানকে। দুজনের অপরাজিত ফিফটিতে এজবাস্টন টেস্ট জিতে ঘরের মাঠে প্রথমবার পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করেছে ইংলিশরা।

শনিবার চতুর্থ দিনে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ৩–০ ব্যবধানে জিতেছে ইংল্যান্ড। জয়ের লক্ষ্য ছুঁয়েছে ২৪.২ ওভারে। এর আগে ২০২২–২৩ মৌসুমে পাকিস্তানের মাটিতে তাদের ধবলধোলাই করেছিল ইংলিশরা।

দিনের প্রথম বলেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হন বেন ডাকেট। উইকেটরক্ষক গাজী ঘোরির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। একই ওভারের শেষ বলে এমিলিও গেকে এলবিডব্লিউ করেন আব্বাস। দুই ওপেনারই ফেরেন শূন্য রানে, ইংল্যান্ডের স্কোর তখন ২ উইকেটে ২।

সেখান থেকে তৃতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১২৮ রান যোগ করেন রুট ও কক্স। অধিনায়ক রুট ৬৯ বলে ৯ চারে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন। কক্সের অপরাজিত ৫৯ আসে ৭৬ বলে, তাঁর ইনিংসে ছিল আটটি চার। জয়সূচক রানটিও নেন কক্স।

অবশ্য এই জুটি ভাঙার সুযোগ পেয়েছিল পাকিস্তান। মোহাম্মদ আলির বলে বোল্ড হয়েও নো বলের কারণে বেঁচে যান রুট। পরে আব্বাসের বলে তাঁর ব্যাটের কানায় লাগা বল দুই স্লিপ ফিল্ডারের মাঝখান দিয়ে চলে যায়। সেই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানকে ১৩৩ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর ইংল্যান্ড করেছিল ৪৫৩। হ্যারি ব্রুকের ৭৫, জেমি স্মিথের ৬৯ ও ড্যান লরেন্সের ৬৫ রানে স্বাগতিকদের লিড দাঁড়ায় ৩২০ রানে। অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ নেন চার উইকেট।

বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪৯ রান করে পাকিস্তান। শান মাসুদ ৯৫, বাবর আজম ৭৬ ও আজান আওয়াইস ৫৯ রান করেন। এরপর নিচের সারিতে ঝড় তোলেন রাজাউল্লাহ। নয় ছক্কায় ৬৩ বলে ৮১ রান করেন এই অভিষিক্ত পেসার। মোহাম্মদ আব্বাসের সঙ্গে নবম উইকেটে তাঁর ১২১ রানের জুটিই পাকিস্তানকে ইনিংস হার থেকে বাঁচিয়েছিল। আব্বাস করেন ৪২ রান।

ব্যাট হাতে ৬৫ রানের পাশাপাশি পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন লরেন্স। সিরিজে ২১ উইকেট নেওয়া অলি রবিনসন ইংল্যান্ডের পক্ষে সিরিজসেরা হয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষে এই স্বীকৃতি পেয়েছেন আব্বাস।